ল্যাঙ্কেশ্বর শিল্ডের ফাইনাল। পেনাল্টি দিয়েছেন রেফারি। গোলপোস্টের সামনে বল বসিয়ে রেডি হচ্ছে বগলা। বাবলা গাছের মাথায় রানিং কমেন্ট্রি করছে ন্যাড়া, ‘বগলা আসছে, হাড়ভাঙা ক্লাবের সামনে জয়ের হ্যাট্রিকের...।’ তখনই মাঠের পাশ থেকে ভেসে এল একটা জলদগম্ভীর কন্ঠস্বর, ‘বগা বাইরে মার, পেনাল্টিতে আমরা গোল দিই না।’
সিনেমার ইতিহাসে এমন দৃশ্য খুব কমই রয়েছে, যা নিছক সেলুলয়েডের পর্দায় বন্দি হয়ে থেকে যায়নি। বরং আপামর বাঙালির স্মৃতিতে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে। মিশে গিয়েছে লোককথায়, আড্ডায়, স্মৃতিচারণে। ‘ধন্যি মেয়ে’ তার অন্যতম উদাহরণ। আর তার প্রাণ হাড়ভাঙা গ্রামের সেই ফুটবল মাঠ।
‘পথের পাঁচালী’-র নিশ্চিন্দিপুর কোথায়, বাঙালি জানে না। ওটা ছিল স্মৃতির ভূগোল, কল্পনার মানচিত্রে আঁকা এক চিরসবুজ দেশ। তবে হাড়ভাঙা আলাদা। সেখানে যাওয়ার জন্য কল্পনার ডানা লাগে না, লাগে শুধু পথের খোঁজ। এখানেই দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বাঙালির ‘গুরু’ — বাংলার ‘ম্যাটিনি আইডল’ উত্তম কুমার। কোথায় সেই মাঠ, সেই রাস্তা, সেই গাছ? কেমন আছে তারা?
বাস্তবের হাড়ভাঙা কোথায়?
হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের গোহালপোতা গ্রাম। কলকাতার কোলাহল পেরিয়ে আমতার দিকে কদম কদম এগোলেই, বদলে যায় দৃশ্যপট। কংক্রিটের দেওয়াল বদলে যায় সবুজ ধানখেতে। কানা দামোদরের হাওয়া গায়ে লাগে। কোথাও ভাঙা রেললাইন, কোথাও পরিত্যক্ত মার্টিন রেলের স্মৃতি। গোহালপোতায় ঢুকলেই মনে হয়, এ যেন কোনও গ্রাম নয় — সেলুলয়েডের পাতা, যার রং একটু ফিকে হয়ে গেলেও ছবি এখনও অমলিন।
গোহালপোতা গ্রামে ঢোকার মুখেই রয়েছে একটা চায়ের দোকান। সেখানে এক কাপ চা হাতে নিয়ে গল্প করলেই জানতে পারবেন, মহানায়ক এখনও জীবন্ত তাঁদের কাছে। সিনেমার কথা উঠতেই গ্রামের এক বাসিন্দা উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। ভুল হলো একটু। নস্ট্যালজিক বলাটা ভালো এ ক্ষেত্রে। আঙুল উঁচিয়ে দেখালেন, ‘এই তো, এই রাস্তাটা দিয়েই হেঁটেছিলেন উত্তম কুমার।’ প্রবল আগ্রহে কেউ বলে উঠলেন, ‘ওই মাঠেই ফুটবলের শুটিং হয়েছিল।’ পাশ থেকে কেউ ফুট কাটবে, ‘ওই গাছটার কথা বলো, ওখানেই তো সুখেন দাস উঠেছিলেন কমেন্ট্রি করতে।’ পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। স্মৃতির ভিত এখনও অটুট।
শুধু ‘ধন্যি মেয়ে’ নয়। ‘সন্ন্যাসী রাজা’, ‘বনপলাশীর পদাবলী’, ‘কমললতা’, ‘হার মানা হার’, ‘প্রতিশোধ’ — বহু ছবির শুটিং হয়েছে এখানে। তার কেন্দ্রে ছিলেন গ্রামেরই ‘বাবু’ সত্যনারায়ণ খাঁ। তাঁর ‘চণ্ডীমাতা ফিল্মস’ এবং খাঁ বাড়ি হয়ে উঠেছিল বাংলা চলচ্চিত্রের শিল্পীদের দ্বিতীয় ঠিকানা।
খাঁ বাড়ির দোতলার বারান্দায় মহানায়ক
সত্যনারায়ণ খাঁর পুত্রবধূ মৃদুলা খাঁ আজও স্পষ্ট মনে করতে পারেন সেই দিনগুলোর কথা। বিয়ের পরে, ১৯৭০ সালে প্রথমবার মহানায়ককে দেখেছিলেন নিজের বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে। তার পরে কতবার যে উত্তম কুমার এসেছেন, তার কোনও হিসেব নেই। ৭৬ বছর বয়সি মৃদুলার কথায়, ‘শুধু যে শুটিংয়ের জন্যই আসতেন, তা কিন্তু নয়। পারিবারিক অনুষ্ঠানে, দোল খেলতে, কিংবা নিছক দু’দিনের ছুটি কাটাতেও জগৎবল্লভপুরে আসতেন তিনি।’
খাওয়া-দাওয়াতেও ছিল না কোনও আড়ম্বর
অভিনয়ের বাইরে উত্তম কুমার ছিলেন খুবই সংযমী একজন মানুষ, জানালেন মৃদুলা। শুটিং শেষ হলেই বারান্দার আলো নিভিয়ে চুপচাপ বসে থাকতেন তিনি। নিভৃতে সময় কাটাতে বেশি ভালোবাসতেন মহানায়ক। খাওয়া-দাওয়াকে কেন্দ্র করে ছিল না কোনও তারকাসুলভ দাবি-দাওয়া। মৃদুলার হাতে গড়া কয়েকটি রুটি, পাতলা মাছের ঝোল, কখনও পটল ভাজা, এ সবই ছিল মহানায়কের দুপুরের মেনু। বৃহস্পতিবার অবশ্য ভাত চাই-ই চাই। এ কথা মৃদুলা খাঁ জানতে পেরেছিলেন, সুপ্রিয়াদেবীর কাছ থেকে। সেই ছোট্ট অভ্যাসও আজ এত বছর পর স্মৃতিচারণ করলেন মৃদুলা খাঁ।
গ্রামের প্রবীণদের স্মৃতিতে উত্তম কুমার
গ্রামের প্রবীণদের স্মৃতিতে উত্তম কুমার নিছক মহানায়ক নন, তিনি আপনজন। স্থানীয় বাসিন্দা সন্ধ্যা পাত্র জানান, বিকেলে কুকুর নিয়ে গ্রামের পথ ধরে হাঁটতেন মহানায়ক। দূর থেকে তাঁকে দেখত শিশুরা। সে দিকে চোখ পড়লেই হাত নাড়তেন। ভক্তদের নিরাশ করতেন না। বলতেন, ‘টা-টা, আবার দেখা হবে।’ এ ছাড়া গ্রামেরই আরেক প্রবীণ মহিলা সুনীলা ধোঁ জানান, রাস্তায় যদি পরিচিত কোনও মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, তৎক্ষনাৎ গাড়ি দাঁড় করাতেন মহানায়ক। খাঁ বাড়ির কেয়ারটেকারের সঙ্গে দেখা হলেও বলতেন, ‘ব্যাচা! ভালো আছ তো?’
রবি ঘোষ থেকে অনুপ কুমারও গ্রামের স্মৃতিতে
মহানায়কের কথা তো অনেক হলো। এ বার আসা যাক তোতলা ভটচাজ ওরফে রবি ঘোষ-এর কথায়। সুনীলা ধোঁ জানান, রবি ঘোষ ছিলেন একেবারে উল্টো মেজাজের মানুষ। শুটিং থামলেই জুড়ে দিতেন আড্ডা। কখনও গ্রামের বাড়ির দাওয়ায় একবাটি মুড়ি আর নারকেল নিয়ে আসনপিঁড়ি হয়ে বসে পড়তেন। হাসি-ঠাট্টায় জমে উঠত বিকেল। তবে অনুপ কুমারের যত আগ্রহ রান্নাঘরে। কই মাছের তেল-ঝাল কী ভাবে রাঁধতে হয়, তা জানার ঝোঁক ছিল খুব।
গ্রামের এক বাসিন্দা সৌমেন পাত্র বললেন, ‘ধন্যি মেয়ের ফুটবল ম্যাচের দৃশ্যে হাজার হাজার গ্রামবাসী ছিলেন। শুধু এই গ্রামের নয়। চতুর্দিক থেকে দলে দলে আসতেন সকলে। তাঁরা দর্শকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। অনেকে ছবিতেও ছিলেন। মাঠের চারপাশে ভিড় সামলাতে সেই সময় স্থানীয় যুবকদেরই দায়িত্ব নিতে হয়েছিল।’
শুটিং-এর সময় ঢল নামত গ্রামবাসীদের
শুটিংয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাড়ভাঙার সকাল বদলে যেত। স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জনা ধোঁ জানান, মাঠে কিংবা খেতে যাওয়ার আগে সবাই একবার ঘুরে যেতেন শুটিং স্পটে। কেউ গামছায় বেঁধে আনতেন মুড়ি, কেউ চিঁড়ে, কেউ বা দুপুরের খাবার। একবার জায়গা ছাড়লে আর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ মিলবে না। সদ্য গাঁথা খাঁ বাড়ির পাঁচিল তখন হয়ে উঠত অস্থায়ী গ্যালারি। তার উপর সার বেঁধে বসে থাকতেন গ্রামের মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা — শুধু একবার যদি চোখের সামনে দেখা যায় উত্তম কুমারকে।
তবে হাজার হাজার মানুষের সেই ভিড় সামলানো সহজ ছিল না। অথচ আশ্চর্য শৃঙ্খলাও ছিল। খাঁ বাড়ির কর্তা একবার যদি গলা তুলে বলতেন, ‘সব চুপ কর’, মুহূর্তের মধ্যে পিন পতন নীরবতা। আজ সেই ভিড় নেই। পাঁচিলের উপর বসে শুটিং দেখাও ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে। কিন্তু গ্রামবাসীদের স্মৃতিতে সাদা-কালো চলচ্চিত্রের দৃশ্যগুলো আজও রঙিন, অমলিন। যেন চোখ বন্ধ করলেই আবার শোনা যায় ক্যামেরার শব্দ, পরিচালকের নির্দেশ আর মানুষের চাপা উচ্ছ্বাস।
ক্যামেরার পিছনে কাজ করেছিলেন গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা
সেই স্মৃতির আর এক নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হারাধন বাঁদুড়ি। বয়স এখন পঁচাত্তরের কোঠা পেরিয়েছে। আজ যখন আমার-আপনার চোখ কথায় কথায় স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আটকে যায়, তখন হারাধনের স্মৃতির ‘অ্যানালগ মোড’-এ একটুও ধুলো পড়েনি। ‘ধন্যি মেয়ে’-র শুটিংয়ের সময় ক্যামেরার পিছনের কর্মীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। তাঁর দায়িত্ব ছিল হাজার হাজার উৎসুক মানুষের ভিড় সামলে ক্যামেরার ফ্রেমকে পরিষ্কার রাখা। সিনেমার জাদু তৈরি হওয়ার আড়ালের সেই শ্রমের গল্প আজ খুব কম মানুষই জানেন।
হারাধনের চোখের সামনে একদিন তেঁতুল গাছের গায়ে কাঠের মই ঠেকিয়ে উপরে তুলে দেওয়া হয়েছিল জয়া ভাদুড়িকে। মাঠের ধারের যে বাবলা গাছটি ছবিতে দেখা যায়, সেটিও ছিল তাঁদের পরিবারের। শিল্পীদের ওঠানামার জন্য নিজের বাড়ির বড় কাঠের মইও তিনি দিয়েছিলেন। সময়ের নির্মম নিয়মে সেই বাবলা গাছ আর নেই; কেটে ফেলা হয়েছে বহু বছর আগে। কিন্তু তেঁতুল গাছটি এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে নীরব প্রহরীর মতো। ‘পুরাতন ভৃত্য’-এর মতো সযত্নে আগলে রেখেছে বাংলা সিনেমার এক অমর দিনের স্মৃতি।
খেলার দৃশ্যেও অভিনয় করেছিলেন গ্রামের বহু মানুষ। হারাধনের নিজের ভাইও ছিলেন সেই ফুটবল ম্যাচের একজন খেলোয়াড়। তাঁর স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট মাঠের মধ্যে রেফারি রবি ঘোষের দাপট, বগলা চরিত্রে পার্থ মুখোপাধ্যায়ের ছুটে চলা। আর মাঠের ধারে উত্তেজনায় ফেটে পড়া কালী দত্ত — অর্থাৎ উত্তম কুমার। বাস্তব আর অভিনয় সে দিন এমন ভাবে মিশে গিয়েছিল যে, গ্রামের মানুষ আজও সেই দিনটিকে সিনেমা নয়, নিজেদের জীবনের একটি উৎসব বলেই মনে করেন।
তবে সময় তো কখনও স্থির থাকে না। গ্রামের অনেক রাস্তা বদলেছে, অনেক বাড়ি নতুন হয়েছে, হারিয়ে গিয়েছে বহু চেনা চিহ্ন। তবু সব হারিয়ে যায়নি। এখনও হাড়ভাঙার আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে আছে সেই তেঁতুল গাছ। তার ছায়ায় দাঁড়ালে বিশ্বাস দৃঢ় হয়, ইতিহাস কখনও মুছে যায় না — সে শুধু গাছের গায়ে, মাটির গন্ধে আর মানুষের স্মৃতির গভীরে নীরবে বেঁচে থাকে।
‘চণ্ডীমাতা ফিল্মস’-এর আলো নিভেছে বহুদিন। সত্যনারায়ণ খাঁ নেই। তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িতে ক্ষয়ের দাগ স্পষ্ট। যে ফুটবল মাঠ একদিন হাজার হাজার মানুষের গর্জনে কেঁপে উঠত, তা আজ আগাছায় ভর্তি। মাঠের একাংশ গিলে খেয়েছে কানা দামোদর। তারও সেই রূপ নেই। কচুরিপানায় ভরে গিয়েছে। বদলে গিয়েছে রাস্তা, বাড়ি, স্কুলও।
তবে সবই কি আর বদলায়? বিকেলের হাওয়া মাঠের উপর দিয়ে বয়ে গেলে আজও মনে হয় কোথাও একটা বাঁশি বাজল। এখনই ফুটবল ম্যাচ শুরু হবে। কালী দত্ত সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে। বগলা বল পায়ে নিয়ে পেনাল্টি স্পটের দিকে এগোচ্ছে। হাজার মানুষের গর্জনে কাঁপছে চারিদিক। এখনই হয়তো শোনা যাবে বাবলা গাছের মাথায় রানিং কমেন্ট্রি-করা ন্যাড়ার সেই আইকনিক চিৎকার, ‘বগলা আসছে, হাড়ভাঙা ক্লাবের সামনে জয়ের হ্যাট্রিকের...।’ আর তার পাল্টা হিসেবে পাশ থেকে ভেসে আসবে, ‘বগা বাইরে মার, পেনাল্টিতে আমরা গোল দিই না।’
ছবি: ধন্যি মেয়ে
মুক্তি: ১৯৭১
পরিচালক: অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়
হাড়ভাঙা গ্রামের বাস্তব লোকেশন: গোহালপোতা, জগৎবল্লভপুর, হাওড়া
কালী দত্ত: উত্তম কুমার
বগলা: পার্থ মুখোপাধ্যায়
ন্যাড়া: সুখেন দাস
তোতলা ভটচাজ: রবি ঘোষ
শুটিংয়ের অন্যতম আকর্ষণ: হাড়ভাঙার ফুটবল ম্যাচ
বর্তমানে: বদলে গিয়েছে মাঠ ও গ্রামের অনেকটা, তবে এখনও রয়েছে শুটিংয়ের স্মৃতি বহন করা তেঁতুল গাছ
১। ‘ধন্যি মেয়ে’-র হাড়ভাঙা গ্রাম আসলে কোথায়?
হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের গোহালপোতা গ্রামেই ছবির হাড়ভাঙা গ্রামের বহু দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল।
২। ‘ধন্যি মেয়ে’ কবে মুক্তি পেয়েছিল?
ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে।
৩। ‘ধন্যি মেয়ে’-তে কালী দত্তের চরিত্রে কে ছিলেন?
কালী দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার।
৪। বগলার চরিত্রে কে অভিনয় করেছিলেন?
বগলার চরিত্রে ছিলেন পার্থ মুখোপাধ্যায়।
৫। ন্যাড়ার চরিত্রে কে ছিলেন?
ন্যাড়ার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সুখেন দাস। ফুটবল ম্যাচে গাছের উপর বসে তাঁর রানিং কমেন্ট্রি আজও দর্শকের মনে রয়েছে।
৬। ফুটবল ম্যাচের রেফারির চরিত্রে কে ছিলেন?
রেফারির ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল রবি ঘোষকে।
৭। ফুটবল ম্যাচে কি গ্রামের মানুষও ছিলেন?
হ্যাঁ। স্থানীয়দের স্মৃতি অনুযায়ী, বহু গ্রামবাসী ফুটবল ম্যাচের দর্শক এবং অন্যান্য ভূমিকায় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন।
৮। ‘ধন্যি মেয়ে’-র সেই মাঠ এখন কেমন আছে?
সময়ের সঙ্গে মাঠের চেহারা অনেকটাই বদলেছে। আগাছা জন্মেছে। মাঠের একাংশ কানা দামোদরের গ্রাসেও চলে গিয়েছে।
৯। শুটিংয়ের কোনও স্মৃতি এখনও রয়েছে?
হ্যাঁ। ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি জড়ানো পুরনো তেঁতুল গাছটি এখনও রয়েছে। তবে ছবিতে দেখা বাবলা গাছটি বহু বছর আগেই কেটে ফেলা হয়েছে।
১০। গোহালপোতায় আর কোন কোন ছবির শুটিং হয়েছিল?
গ্রামবাসীদের স্মৃতি অনুযায়ী, ‘সন্ন্যাসী রাজা’, ‘বনপলাশীর পদাবলী’, ‘কমললতা’, ‘হার মানা হার’ এবং ‘প্রতিশোধ’-সহ একাধিক বাংলা ছবির শুটিং হয়েছিল এই এলাকায়।