অনশন মঞ্চ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে সোনম ওয়াংচুককে ভর্তি করেছিল দিল্লি পুলিশ। সেখানেই এক পুলিশকর্মীর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান তিনি। শনিবার সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। সেখানে সোনমকে বলতে শোনা যায়, “আমাকে গ্রেপ্তার করুন।” প্রশ্ন উঠছে, ‘র্যাঞ্চো’কে ক তাহলে হাসপাতালে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছিল?
জানা গিয়েছে ভিডিওটি গত মঙ্গলবারের। ওই দিনই দিল্লি হাই কোর্ট সোনমের পছন্দ মতো হাসপাতালে সোনমকে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নীল জামা এবং সাদা ট্রাউজার পরিহিত সোনম হাসপাতালের করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। তিনি সোনমের জিনিসপত্র বহন করছেন। সেই সময় এক পুলিশ কর্মী তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন। ক্ষুব্ধ সোনম ওই পুলিশকর্মীকে বলেন, “ওদের বলুন আমাকে গ্রেপ্তার করতে। আমি একজন স্বাধীন নাগরিক।” তিনি আরও বলেন, “আপনারা সবাই আমাকে হয়রানি করছেন। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে যদি আমার মৃত্যু হয়, তাহলে তার দায় আপনাদেরই নিতে হবে। আমার অনশন চলাকালীন আপনারা আমাকে কোনও কারণ ছাড়াই এখানে আটকে রেখেছেন।” জবাবে পুলিশকর্মী তাঁকে জানান যে, তিনি হয়রানির চেষ্টা করছেন না।
বিতর্কের মুখে মুখ খুলেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, হাই কোর্টের লিখিত নির্দেশ পাওয়ার আগেই ভিডিওটি তোলা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করেই সোনম হাসপাতাল ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি অনড় ছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আদালতের লিখিত আদেশ পাওয়ার পরই সোনমকে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালের হস্তান্তরিত করা হয়।