প্রধানের ইস্তফার পরই জরুরি বৈঠকে মোদি-শাহ, তলব একাধিক রাজ্যের নেতাদের, বড় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা?
প্রতিদিন | ২৬ জুলাই ২০২৬
‘ককরোচ’দের চাপে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই দিল্লিতে জরুরি বৈঠক। বেশ কিছুক্ষণ একান্তে আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সূত্রের খবর, প্রধানের ইস্তফার পর পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে। আগামী দিনে ককরোচদের মোকাবিলায় দল ও সরকার কোন পথে এগোবে সেসব ঠিক করতেই বৈঠকে বসেন সরকারের শীর্ষ দুই মাথা।
ককরোচ জনতা পার্টির এই বিক্ষোভের শুরু থেকে বিজেপির একটা অংশের দাবি ছিল, এই পড়ুয়াদের মধ্যে দেশবিরোধীরা ঢুকে আন্দোলনকে হাইজ্যাক করছে। পাকিস্তান থেকে আন্দোলনে যে উসকানি দেওয়া হচ্ছিল, সেসব প্রমাণও দিল্লি পুলিশের হাতে এসেছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পাক হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বেশ কিছু তথাকথিত ‘অপরাধী’কেও বিক্ষোভে শামিল হতে দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতি অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদির বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
অন্য সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। গত একমাসে ৩ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইস্তফা দিলেন। শুক্রবার ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু।তাঁকে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে পাঞ্জাবের রাজনীতিতে মন দিতে বলেছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ঠিক একমাস আগে আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁরও রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হয়েছিল। এসবের মধ্যে আবার ধর্মেন্দ্র প্রধানও ইস্তফা দিলেন। ফলে মন্ত্রিসভায় শূন্যস্থানের সংখ্যাটা বাড়ছে। সেই শূন্যস্থান পূরণের ব্যাপারেও আলোচনা হতে পারে মোদি-শাহর মধ্যে।
যা খবর তাতে দ্রুত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের ডেকে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। দিল্লিতে তলব করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসকে, ডাকা হয়েছে উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেকেও। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের নেতাদেরও তলব করতে পারে বিজেপির শীর্ষ নেতারা। ফলে মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।