• পুজোর আগেই গোরুমারায় বাড়তে চলেছে হাতি সাফারি
    বর্তমান | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ব্রতীন দাস, লাটাগুড়ি: পর্যটকদের জন্য সুখবর। ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে হাতি সাফারি করতে না পারার আক্ষেপ এবার ঘুচতে পারে। পুজোর আগেই গোরুমারায় বাড়ছে এলিফ্যান্ট রাইড। বর্তমানে দক্ষিণ ধূপঝোরা থেকে হওয়া সাফারিতে হাতির সংখ্যা তিনটি। প্রতিটি হাতি দিনে দু’বার করে জঙ্গল ঘোরাতে নিয়ে যায় পর্যটকদের। কিন্তু চাহিদা এতটাই বেশি যে, হাতি সাফারির সুযোগ না পেয়ে মন খারাপ নিয়ে ফিরতে হয় অনেক পর্যটককে। কেউ কেউ এলিফ্যান্ট রাইডের সুযোগ না পেয়ে কার সাফারি করেন। পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, গোরুমারায় আরও দু’টি হাতিকে সাফারিতে যুক্ত করা হবে। 

    গোরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন বলেন, এলিফ্যান্ট সাফারির সংখ্যা যাতে বাড়ানো যায়, তার চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা। মেডিকেল বোর্ড ছাড়পত্র দেওয়ার পরই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা গোরুমারায় সাফারিতে একটি হাতি যোগ করছি। পুজোর আগেই তা চালু হবে। 

    দীর্ঘদিন ধরে ডুয়ার্সে বন্ধ থাকা বনদপ্তরের একাধিক কটেজ খুলে যেতে পারে পুজোর আগেই। সেক্ষেত্রে রামসাইয়ে রাইনো ক্যাম্প সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বহুদিন ধরে মূর্তিতে তালাবন্ধ কটেজগুলিও চালুর চেষ্টা চলছে। ডিএফও বলেন, মূর্তির কটেজগুলিতে আমরা সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করছি। শীঘ্রই মূর্তির চারটি কটেজ পর্যটকদের জন্য খুলে যাবে। রাইনো ক্যাম্প সংস্কারের কাজ করবে পূর্তদপ্তর।

    মূর্তি নদীর উপর সেতুর কাজ চলায় তিন বছর ধরে বন্ধ চন্দ্রচূড় ওয়াচ টাওয়ার। ফলে পর্যটকরা ওই নজরমিনার থেকে গোরুমারা জঙ্গলের সৌন্দর্য দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। তবে খুশির খবর, মূর্তি সেতুর কাজ শেষ। উদ্বোধনের অপেক্ষায় সেটি। 

    যদিও বনদপ্তর সূত্রের খবর, চন্দ্রচূড় ওয়াচ টাওয়ারের সংস্কার দরকার। না হলে পর্যটকরা ওই নজরমিনারে উঠলে বিপদ ঘটতে পারে। ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেবের বক্তব্য, নদীর উপর সেতুর কাজ চলায় এবং চন্দ্রচূড় নজরমিনার বন্ধ থাকায় প্রায় তিন বছর ধরে মূর্তিতে মার খেয়েছে পর্যটন। এখন মূর্তি নদীর উপর সেতু হয়েছে, চন্দ্রচূড় ওয়াচ টাওয়ারও খুলতে হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)