• ককরোচ পার্টির কর্মসূচিতে এবার দিল্লিতে যাচ্ছেন মমতা
    বর্তমান | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে শামিল হতে এবার দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লিযাত্রার কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে শনিবার কলকাতায় মিছিল কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই কর্মসূচিতে থাকার কথা মমতার। তৃণমূলের মিছিল দুপুর ২টো নাগাদ সিআইটি রোড পদ্মপুকুর থেকে মৌলালি পর্যন্ত। তার আগে শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে মমতা লিখেছেন, শুরু থেকেই আমি শিক্ষার্থী ও তাঁদের আন্দোলনের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছি। তাঁদের এই লড়াই কেবল নিট কেলেঙ্কারিতে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য নয়, এটি ভারতের প্রতিটি তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই। মমতার আরও বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের উপর দিল্লি পুলিশের নির্মম দমন-পীড়ন অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। কেবল জবাব চাওয়ার অপরাধে শিক্ষার্থীদের অমানবিকভাবে মারধর, এমনকি লাঠিচার্জও করা হয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে পেলেট গান ও কাঁদানে গ্যাস। 

    মমতার অভিযোগ, একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে কেন্দ্রীয় সরকার এতটাই ভয় পাচ্ছে যে, শোনা যাচ্ছে তারা যন্তরমন্তর ও তার আশেপাশের এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি যাঁরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ, সেই শিক্ষার্থীদের আটকের জন্য প্রয়োগ করা হয়েছে কঠোর ‘জাতীয় নিরাপত্তা আইন’! তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ বা কঠোর অবস্থানের কথা বলেন এবং কঠোর জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দেন। অথচ, ঠিক গতকালই সিবিআই জানিয়েছে যে, ২০২৪ সালের নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার মূল হোতা হিসাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তারা কোনো প্রমাণ পায়নি। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংসের জন্য অভিযুক্তরা যদি এভাবেই জবাবদিহিতার আওতা থেকে পার পেয়ে যায়, তবে সরকার আসলে কাদের রক্ষা করছে? ক্ষুব্ধ অগ্নিকন্যার প্রশ্ন, শিক্ষার্থীদের প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে সরকার কেন শিক্ষামন্ত্রীকে আড়াল করতে এতটা মরিয়া? সমগ্র বিরোধী দল এবং পুরো দেশ আমাদের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ভারতের প্রতিটি তরুণ-তরুণীর অদম্য মনোবল, অবিচল সাহস এবং লাঠিচার্জ, ভয়ভীতি কিংবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের কাছে মাথা নত-না-করার মানসিকতাকে আমি কুর্নিশ জানাই। 
  • Link to this news (বর্তমান)