NEET-UG প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার তিনি বলেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের কাছে কোনও পদ বড় নয়। দেশের যুবসমাজ, ছাত্রছাত্রী এবং দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে।’
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ঘিরে যখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে, তখন বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট করে অমিত শাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার সবসময় জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দেয়। কোনও মন্ত্রীর পদ দলের কাছে কখনওই দেশের ভবিষ্যতের চেয়ে বড় হতে পারে না।’
অমিত শাহের বক্তব্য, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রমাণ করে যে বিজেপি সরকার অভিযোগকে হালকাভাবে নেয় না। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করবে এবং ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস রুখতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ তাঁর কথায়, ‘দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ রক্ষা করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেই কারণেই সরকার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেও পিছপা হয় না।’
ইস্তফার পরে অমিত শাহ-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধানের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। দলীয় সূত্রের মতে, এটি ছিল প্রধানের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের বার্তা। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করা ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবদানকে দল অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।
২০২৬ সালের NEET-UG প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দীর্ঘ আন্দোলন, বিরোধীদের চাপ এবং সরকারের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনার পর শনিবার তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন। পরে সরকার পরীক্ষা সংস্কার, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা না করার আশ্বাস এবং অন্যান্য দাবিও মেনে নেয়।
NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দেশব্যাপী ছাত্র বিক্ষোভের জেরে শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা এবং দিল্লির যন্তর মন্তরে হওয়া বিশাল যুব বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে তথাকথিত ‘দেশবিরোধী শক্তি’র ফায়দা তোলা প্রতিরোধ করা।
অমিত শাহের মন্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে যে, সরকারের কাছে কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তির পদ নয়, দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অমিত শাহ বলেছেন, বিজেপির কাছে কোনও পদ বড় নয়; দেশের যুবসমাজ, ছাত্রছাত্রী এবং দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, NEET-UG প্রশ্নফাঁস বিতর্ক, দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলন এবং রাজনৈতিক চাপের প্রেক্ষিতে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দেয় এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করবে।
হ্যাঁ। ইস্তফার পর অমিত শাহ-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা তাঁর বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন।
সরকারের দাবি, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়ানো, প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার আনা হবে।
আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং পরিস্থিতির অপব্যবহার রোধ করাই তাঁর সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য।