• শনিবারেই মমতাকে ফোন অভিজিতের! কী কথা হল?
    আজকাল | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সংহতি জানাতে, দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল মমতা ব্যানার্জির। তবে তার আগেই, শনিবার, কেন্দ্র আন্দোলনকারীদের সব দাবি মেনে নেওয়ায়, আন্দোলন তুলে নেওয়ার ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি।

     সূত্রের খবর, তার কয়েকঘণ্টা পরেই, শনিবার রাত্রি ন'টা নাগাদ দিল্লি থেকে ফোন আসে কালীঘাটে। অভিজিৎ দীপকে ফোন করেন মমতা ব্যানার্জিকে, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য তেমনটাই। সূত্রের খবর, তিনি মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সমর্থনের জন্য। কয়েকমিনিট কথা হয় দু'জনের। কালীঘাট সূত্রের খবর, মমতা ব্যানার্জিকে যেমন অভিজিৎ পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তেমনই মমতা ব্যানার্জিও শনিবার তৃণমূল ছাত্র যুবর মিছিল, তাতে অনুমতি না পাওয়ার বিষয়টিও জানিয়েছেন, সূত্রের খবর তেমনটাই। যদিও সিজেপি কিংবা কালীঘাট তৃণমূল, কোনও পক্ষই এই প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেয়নি। এর আগে, ১৪ জুলাই, সোনম ওয়াংচুকের অনশনের ১৭তম দিনে, কালীঘাট থেকে ফোন গিয়েছিল যন্তর মন্তরে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। লিখেছিলেন, 'তৃণমূল প্রধান মমতা দিদি সোনম স্যারের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি স্যারকে মনোবল অটুট রাখার আহ্বান জানান এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের দাবিতে সিজেপি (CJP)-র আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। আমাদের আন্দোলনের প্রতি মমতা দিদির এই উদ্বেগ, সংহতি ও সমর্থনের জন্য আমি তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।' যদিও শনিবারের ফোনালাপ প্রসঙ্গে কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি।

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই জল্পনা ছিল মমতা কি আর পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা মেনে যাবেন দিল্লিতে? সূত্রের খবর আন্দোলন তুলে নেওয়ার পর, তা নিয়েও কথা হয়েছে দু'জনের।

    শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং-এর সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠক ছিল ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের। যদিও এই বৈঠকের আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। এরপরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে তৃতীয়বার বৈঠকে যোগ দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।

    তারপরেই সিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পাশাপাশি, তাঁদের মূল তিনটি দাবি পূরণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লি-সহ গোটা দেশে যত পড়ুয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য মামলা হয়েছে, সেই সব মামলা তুলে নেওয়া এবং নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর যে সব ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। সিজেপির এই তিন দাবিই মেনে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। এরপরই আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। যন্তর মন্তর চত্বর থেকে সব আন্দোলনকারীদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 
  • Link to this news (আজকাল)