• ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে গ্রেপ্তার, দুর্নীতির অভিযোগ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে
    এই সময় | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • গ্রেপ্তার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ার সত্যম কুমার। অভিযোগ, চার লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময়ে হাওড়া থেকে CBI-এর হাতে ধরা পড়েন তিনি। ঘটনায় সত্যম ছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দু'জনকে। তাঁদের নাম রাজু পণ্ডিত ও সুব্রত চক্রবর্তী। ধৃত তিনজনকেই শনিবার আদালতে হাজির করানো হয়। ধৃতদের পাঁচ দিনের জন্য CBI-এর হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক।

    সূত্রের খবর, ধৃত সত্যম কুমার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের চক্রধরপুরের ডেপুটি চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার। বাকি দু’জন কলকাতার ‘মেসার্স এমআরটি সিগন্যালস লিমিটেড’ সংস্থার প্রতিনিধি। এ দিন CBI-এর দুর্নীতি দমন শাখার গোয়েন্দারা তিন জনকে গ্রেপ্তার করেন। বেশ কয়েক মাস ধরেই CBI-এর কাছে ধৃত রেল ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আসছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে CBI।

    তদন্তে নেমে CBI-এর অফিসাররা জানতে পারেন, চক্রধরপুর ডিভিশনে সিগন্যাল ও টেলিকমের কাজ করছিল কলকাতার ওই বেসরকারি সংস্থা। চুক্তিতে পরিবর্তন ও বেশ কিছু ফাইল পাস করানোর জন্য ওই সংস্থার কাছে বিপুল টাকা দাবি করেছিলেন ধৃত ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ, চলতি বছরের মে মাসেও ওই ইঞ্জিনিয়ার বেশ কয়েকজনকে রেলে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। কিন্তু বকেয়া টাকা নিতে এসে এ বার হাওড়ায় ধরা পড়ে যান তিনি।

    ঘটনার পরে CBI-এর একটি দল তিন রাজ্যে একযোগে অভিযান চালায়। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ বাজেয়াপ্ত করেছেন CBI আধিকারিকেরা। ধৃতদের গ্রেপ্তার করা হলেও রেলের এই দুর্নীতির মামলায় তদন্ত এখনও জারি রয়েছে বলে জানিয়েছেন CBI আধিকারিকরা।

    উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ডেপুটি চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার সত্যম কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে CBI। তাঁর সঙ্গে আরও দু'জন অভিযুক্তও ধরা পড়েছেন।

    উত্তর: অভিযোগ, সিগন্যালিং সংক্রান্ত কাজের ফাইল পাস, চুক্তিতে পরিবর্তন এবং অন্যান্য প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য ঘুষ দাবি ও গ্রহণ করেছিলেন অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার।

    উত্তর: CBI-এর দাবি, হাওড়ায় ₹৪ লক্ষ ঘুষ নেওয়ার সময় সত্যম কুমারকে হাতেনাতে ধরা হয়। এছাড়া আগে ₹৫ লক্ষ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।

    উত্তর: রাজু পণ্ডিত এবং সুব্রত চক্রবর্তী নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা কলকাতার একটি বেসরকারি সিগন্যালিং সংস্থার প্রতিনিধি বলে জানা গিয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)