• এবার খনি এলাকায় ড্রোনে নজরদারি! কয়লা পাচার রুখতে নয়া উদ্যোগ ইসিএল-সিআইএসএফের
    প্রতিদিন | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • খনি এলাকায় মাফিয়াদের দাপট রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ। ইসিএল ও সিআইএসএফের উদ্যোগে এবার খনি এলাকায় ড্রোনে নজরদারি চালানো শুরু হয়েছে। ইসিএলের নিরাপত্তা দপ্তর সূত্রে খবর, খনি এলাকায় ৬টি ড্রোন উড়িয়ে নজর রাখা হচ্ছে। কোথায় অবৈধভাবে খনন করে কয়লা চুরি হচ্ছে, কীভাবে চোরাই কয়লা পাচার চলছে, ড্রোন উড়িয়ে সেই ছবি ধরা পড়তেই তৎক্ষনাৎ সিআইএসএফ সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছে যাচ্ছেন ইসিএল নিরাপত্তা কর্মীরা।

    জানা গিয়েছে, সিআইএসএফ বাহিনীর কমাড্যান্ট রাহুল সিংয়ের নেতৃত্বে এই অভিযান হয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক অবৈধ খননস্থল চিহ্নিত করা গেছে ড্রোনে নজরদারি চালিয়ে। শুধু তাই নয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবৈধভাবে উত্তোলন করা প্রায় ৭০ মেট্রিক টন স্টিম কোল বাজেয়াপ্ত করেছে সিআইএসএফ ও ইসিএল। যার মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ইসিএলের নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ড্রোন ব্যবহারের জেরে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি চালানো সহজ হয়েছে।

    ইসিএল সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে সংস্থার খনি এলাকাগুলিতে ড্রোনে নজরদারি চলছে। চলতি বছরে জুন মাস পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ১৫৪টি এবং ঝাড়খণ্ডে ৩১২টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে ড্রোনের ছবির ভিত্তিতে। তল্লাশিতে পশ্চিমবঙ্গে ৯১৬ মেট্রিক টন এবং ঝাড়খণ্ডে ২৪৫১ মেট্রিক টন চোরাই কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসিএলের তরফে ওই সময়কালের মধ্যে আসানসোলের রানিগঞ্জ খনি এলাকায় ১২৪টি ও ঝাড়খণ্ডের খনি এলাকায় ৭৩টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)