• পাঞ্জাব থেকে হিমাচলের মন্দিরে, পথে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ তীর্থযাত্রীর, গুরুতর আহত ৭
    এই সময় | ২৭ জুলাই ২০২৬
  • তীর্থযাত্রীদের নিয়ে বাবা বালক নাথ মন্দিরে যাচ্ছিল একটি বাস। হিমাচল প্রদেশের শাহ তালাইয়ের কাছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। উল্টে গেল পুরো বাসটি। রবিবার মাঝরাতের এই টনায় এখনও পর্যন্ত ২ জন তীর্থযাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ৭ জন। ইতিমধ্যে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে পুলিশ। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসে ৩৫ জন তীর্থযাত্রী ছিলেন। পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে তাঁরা যাচ্ছিলেন হিমাচল প্রদেশের বাবা বালকনাথের মন্দিরে। রাত দেড়টা নাগাদ রাস্তা ফাঁকা ছিল। দ্রুত গতিতে ছুটছিল বাস। সেই সময়ে অধিকাংশ যাত্রীই ঘুমোচ্ছিলেন। আচমকাই বিকট শব্দে উল্টে যায় বাসটি।

    দুর্ঘটনায় ছিটকে পড়েন তীর্থযাত্রীরা। আতঙ্কে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন তাঁরা। কোনও রকমে বাস থেকে বেরোন কয়েক জন তীর্থযাত্রী। তাঁরাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বারসার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই দু’জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তবে মৃতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন ৭ জন। তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চণ্ডীগড়ের PGI-তে পাঠানো হয়েছে। বাকি দু’জনকে স্থানান্তর করা হয়েছে হামিরপুর মেডিক্যাল কলেজে। এছাড়া চার জন সামান্য আহত হয়েছেন। বারসার হাসপাতালেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

    কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চালক সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বা কোনও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তার জেরেই বাসটি রাস্তার উপরে উল্টে যায়। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি, অতিরিক্ত গতি বা অন্য কোনও কারণও এর নেপথ্যে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি বাসের চালক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    ১. দুর্ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে?

    হিমাচল প্রদেশের শাহ তালাইয়ের কাছে গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    ২. বাসে কতজন তীর্থযাত্রী ছিলেন?

    বাসে মোট ৩৫ জন তীর্থযাত্রী ছিলেন।

    ৩. বাসটি কোথা থেকে রওনা দিয়েছিল?

    বাসটি পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে বাবা বালক নাথ মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল।

    ৪. এই দুর্ঘটনায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে?

    এখনও পর্যন্ত ২ জন তীর্থযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

    ৫. আহতদের অবস্থা কেমন?

    মোট ৭ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ৬. গুরুতর আহতদের কোথায় ভর্তি করা হয়েছে?

    একজনকে চণ্ডীগড়ের PGI-তে এবং দু'জনকে হামিরপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি চারজনের চিকিৎসা চলছে বারসার হাসপাতালে।

    ৭. দুর্ঘটনার কারণ কী?

    পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বা বাসের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    ৮. পুলিশ কী পদক্ষেপ করেছে?

    পুলিশ ও জেলা প্রশাসন দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করেছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তও শুরু হয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)