আজকাল ওয়েবডেস্ক: বর্তমান বাজারে আধুনিক পোশাক তৈরির উপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়ে জেলার যুবসমাজকে স্বনির্ভর করতে উদ্যোগী একটি বেসরকারি সংস্থা। হাওড়ায় স্কিল অ্যান্ড অন্ত্রেপ্রোনিওয়রশিপ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (সেডি) গড়ে তোলা হয়েছে। নবীনদের এই প্রশিক্ষণে আগ্রহের অন্যতম কারণ প্রতিষ্ঠানে উন্নত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও কৌশলের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এখানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের অত্যাধুনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেন। সেখানে বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রশিক্ষণ নিয়ে অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই হয়ে উঠছেন সকলে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা কিছুদিনের মধ্যেই পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের পোশাক তৈরিতে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। কর্মক্ষেত্রেও অন্যান্য সেলাই বা পোশাক তৈরির কাজে এই কেন্দ্রের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অগ্রাধিকার পান। হাতেকলমে কাজ শেখার ফলে মাত্র তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা সঠিক ভাবে কাজ করতে পারেন। বৃদ্ধি পায় কাজের সুযোগও। যেহেতু এই বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অন্যান্য সংস্থারও গভীর যোগাযোগ রয়েছে, তা অনেকক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য উপযোগী হয়।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দৈনিক কয়েক ঘন্টা ক্লাসের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ চলে তিন মাস। এর পর সেখান থেকেই মেলে চাকরির সুযোগ। এই প্রশিক্ষণে যোগদানের জন্য অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হলেই চলে। প্রশিক্ষণের থিওরি ক্লাসের মাধ্যমে পোশাক তৈরির জন্য কী ভাবে মাপ নিতে হয়, তা শেখানো হবে। পাশাপাশি, যা প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাসে সেলাই, কাটিং ইত্যাদি কাজ শেখা অনেক সহজ করে তোলে। সেই সঙ্গে প্রশিক্ষণরতদের বেসিক কম্পিউটার ও সফট স্কিল-এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় প্রত্যেককে। এতে জেলার বহু যুবক যুবতী উপকৃত হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। জেলার বহু যুবক-যুবতি প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বনির্ভর হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে নিযুক্তদের বেতনের পরিমাণ মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা অথবা তার বেশিও হতে পারে।