বাংলা থেকে পাচার শয়ে শয়ে রক্তের প্যাকেট! প্রকাশ্যে কলকাতার আরও ১ ব্লাড ব্যাঙ্কের কীর্তি
প্রতিদিন | ২৭ জুলাই ২০২৬
আগেই শহরের দুটি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে রক্তপাচারের অভিযোগ উঠেছিল। এবার কলকাতার আরও একটি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে রক্ত নিয়ে বেআইনি কারবারের অভিযোগ সামনে এল। পদ্মপুকুর হেল্থ পয়েন্ট, যোধপুর পার্কের অশোক ব্লাড ব্যাঙ্কের পর এবার সিআইটি রোডের লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাঙ্কের কীর্তি ফাঁস! অভিযোগ, ৬ মাসের মধ্যে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিবা বিক্রি করা হয়েছে ভিনরাজ্যে। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, ওই ব্লাড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে পরপর ৩ বার নোটিস দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন। প্রথমবার হাজিরা দিয়ে লোহিত রক্তকণিকা বিক্রির হিসাব জমা দিলেও পরের দু’বারের নোটিসে হাজিরা এড়িয়ে যায় লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ, এমনটাই দাবি করা হয়েছে স্বাস্থ্যভবনের তরফে। কত টাকায় রক্ত বিক্রি করা হয়েছে, বিক্রি হওয়া প্লাজমার পরিমাণ কত, সে সবের হিসাব এখনও মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ব্লাড ব্যাঙ্কটি নথি জমা না করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে।
৬ মাসে বিহার-উত্তরপ্রদেশে ২ কোটি টাকার রক্ত বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল এরাজ্য থেকে। পদ্মপুকুরের হেলথ পয়েন্ট ব্লাড ব্যাঙ্কের পর যোধপুর পার্কের অশোক ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে উঠেছিল চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু তাই নয়, এসএসকেএমের দ্বিতীয় বর্ষের কয়েকজন পড়ুয়াকে রক্তদান শিবিরে ডাক্তার সাজিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত, রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহে যোধপুর পার্কের অশোক ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। এখন দেখার নতুন যে ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য ভবনের অনুমোদন ছাড়া রক্ত বিক্রির অভিযোগ উঠেছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।