• মুঠোফোন ছেড়ে হাতি ঘোড়া নিয়ে খেলছে ছোটরা, সামিল হলেন সাংসদ নিজেও
    News18 বাংলা | ২৭ জুলাই ২০২৬
  • মেধা, মনন ও কৌশলের লড়াইয়ে সরগরম হয়ে উঠল নদিয়ার শান্তিপুর। নদিয়া জেলা দাবা সংস্থার উদ্যোগে এবং সারা বাংলা দাবা সংস্থার অনুমোদনে শান্তিপুর পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত হল ‘দ্বিতীয় অল বেঙ্গল স্কুল চেস চ্যাম্পিয়নশিপ (অনূর্ধ্ব-১৭)’। এই রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় ৭ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রতিযোগীরা অংশ নেন। দাবার বোর্ডে একের পর এক নিখুঁত চাল, ধৈর্য, পরিকল্পনা ও কৌশলের লড়াই মুগ্ধ করে উপস্থিত দর্শকদেরও। প্রতিটি রাউন্ডেই জয়ের লক্ষ্যে প্রতিযোগীদের একাগ্রতা, আত্মবিশ্বাস এবং দক্ষতা ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিভাবক, কোচ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, “দাবা এমন একটি খেলা, যা শিশুদের মানসিক বিকাশ, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, ধৈর্য এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা বাড়ায়। গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকার প্রতিভাবান দাবাড়ুদের সামনে এই ধরনের রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার বড় মঞ্চ তৈরি করে। ভবিষ্যতে এখান থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের বহু দাবাড়ু উঠে আসবে বলে আমি আশাবাদী।”

    আয়োজকদের বক্তব্য, বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও ডিজিটাল বিনোদনের অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে বের করে এনে দাবার মতো মননশীল খেলায় আগ্রহী করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রতিভাবান খুদে দাবাড়ুদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা যাচাই ও বিকাশের সুযোগ করে দেওয়াও এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    দিনভর একাধিক রাউন্ডের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে সেরা পারফর্মারদের হাতে মোট ১২৫টি ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, নদিয়া জেলা দাবা সংস্থার প্রতিনিধিরা, কোচ, অভিভাবক এবং ক্রীড়াপ্রেমীরা।আয়োজকদের আশা, আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আরও বেশি সংখ্যক প্রতিভাবান দাবাড়ু এতে অংশ নেবেন। এই ধরনের প্রতিযোগিতা আগামী প্রজন্মের মধ্যে দাবার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি রাজ্যের দাবা প্রতিভা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)