• বাপের বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ তরুণী, হাড়োয়া ফিরছিলেন স্বামীর সঙ্গে...
    এই সময় | ২৭ জুলাই ২০২৬
  • বছর সাত-আট আগে ছোট্ট মেয়ে জলে ডুবে মারা গিয়েছিল। মেয়ের বয়স তখন বছর তিন বা চার। তার পর থেকেই মানসিক অবসাদ ঘিরে ধরে হাড়োয়ার মীনাক্ষী সওদাগরকে। নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় তাঁকে। এরই মধ্যে শনিবার বামনঘাটায় বাপের বাড়ি এসেছিলেন মীনাক্ষী। রবিবার সেখান থেকে হাড়োয়ায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ভাঙড় থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়েছে।

    হাড়োয়া থানার কচুরহুলার বাসিন্দা মীনাক্ষী। বয়স ২৬ বছর। বছর সাতেকের একটি ছেলে আছে তাঁর। স্বামী সৌরভ সওদাগর ঘটকপুকুরেই কাজ করেন। সেখান থেকে মীনাক্ষীর বাপের বাড়ি একেবারেই কাছে।

    মীনাক্ষীর ছেলে বামনঘাটায় ক্রিকেট প্র্যাক্টিস করে। প্রতি সপ্তাহে শনিবার করে তিনি বা সৌরভ তাকে বামনঘাটায় নিয়ে আসেন। দিন দুই মামার বাড়িতে থেকে তাঁরা ফিরে যান। এই সপ্তাহে রথের মেলা উপলক্ষে দু’দিন আগেই এসেছিল মীনাক্ষী। রবিবার শ্বশুরবাড়ি ফেরার কথা ছিল।

    মীনাক্ষীর স্বামী সৌরভ জানান, বাড়ি ফেরার পথে ঘটকপুকুর বাজার এলাকায় মাদুহাটার কাছে স্ত্রীকে রেখে তিনি ও ছেলে বাজারে ঢোকেন। ফিরে এসে দেখেন স্ত্রী নেই। বহু খোঁজ করেও পাননি। এর পরেই থানায় যান তিনি।

    এ দিকে এলাকার একাধিক সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মীনাক্ষী রাস্তা পার হয়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁকে ২১৩ নম্বর বাসেও উঠতে দেখা গিয়েছে। যে বাস ঘটকপুকুর থেকে কলকাতা ধর্মতলায় আসে।

    কলকাতায় মীনাক্ষীর বা তাঁর পরিবারের পরিচিত কেউ নেই। ফলে কোথায় যেতে পারেন, বুঝতে পারছেন না পরিবার লোকজন। তাঁর বাপের বাড়ির লোকেদের দাবি, ছোট মেয়েটা মারা যাওয়ার পর থেকেই মীনাক্ষী সবসময়ে গুমরে থাকতেন। চিকিৎসাও করানো হয়। ওষুধ খান এখনও। তবে বেশ কিছু সমস্যা এখনও রয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাড়ি থেকে বেরিয়ে এ ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাবেন, ভাবতে পারছে না বাড়ির লোকেরাও।

  • Link to this news (এই সময়)