এই সময়, জলপাইগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় দাঁড় করিয়ে এলাকার বাড়তে থাকা নেশার কারবার নিয়ে তাঁর কাছে অভিযোগ করলেন কিছু যুবক। অভিযোগ পেয়েই মুখ্যমন্ত্রী একটা ফোন নম্বর দিয়ে তাঁদের জানান, এই ধরনের কিছু হলেই তাঁকে যেন জানানো হয়। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি চেকপোস্টে চাকরি খুইয়ে চাকরির দাবিতে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ের দিকে ছুটে গেলেও কথা বলতে পারলেন না এক যুবক। সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জলপাইগুড়ি সফরে এমনই চিত্র দেখা গেল।
এ দিন জলপাইগুড়ি শহরের রাজবাড়ি পাড়া এলাকা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যখন জল্পেশে যাচ্ছিলেন, তখন স্থানীয় কিছু যুবক হাত নেড়ে তাঁর কনভয় থামার অনুরোধ করতে থাকেন। এই দৃশ্য চোখে পড়তেই মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়িতে বসে থেকেই তিনি যুবকদের ডেকে নেন। তাঁদের বক্তব্য শোনেন।
নেশার কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যুবকদের পড়াশোনার বিষয়ে খোঁজ নেন। ওই যুবকদের মধ্যে থাকা ইন্দিরা গান্ধী কলনীর বাসিন্দা দীপ দাস বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে এলাকায় বাড়তে থাকা নেশার কারবারের বিষয়ে জানান হয়। শুনেই তিনি একটি ফোন নম্বর দিয়ে জানান, এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলেই এই নম্বরে জানাস। আমি ব্যবস্থা নেব। এরপর পড়াশোনা–সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের কাছে জানাতে চান।’
এর আগে জেলাশাসকের দপ্তর থেকে বের হওয়ার পরেই এক যুবক শুভেন্দুর কনভয়ের দিকে ছুটে গেলে তাঁকে আটকে দেন পুলিশ কর্মীরা। যুবকের নাম মনোজিৎ রায়। তিনি তিস্তাপাড়ের সারদাপল্লির বাসিন্দা।
মনোজিৎ বলেন, ‘আমি সিভিল ডিফেন্সের একজন কর্মী ছিলাম। তিস্তা চেকপোস্টে কর্মরত ছিলাম। সেই চেকপোস্ট তুলে দেওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছি। আমরা ছ’জন যুবক কর্মহীন। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে আমাদের সমস্যার কথা জানাতে চেয়েছিলাম।’ বিষয়টি নিয়ে কলকাতায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।