• কোভিড টেস্টেও প্রতারণা! রয়েছে বড় দুর্নীতিও? অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ থানায়
    প্রতিদিন | ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ক্রমশ চাপ বাড়ছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার কোভিড টেস্টে প্রতারণা ও দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায়। ডায়মন্ডহারবার লোকসভার সাতটি বিধানসভায় কোভিড মেগা টেস্ট ড্রাইভ এবং ডক্টরস অন হুইলসের নামে কোভিডকালে প্রতারণা, আশাকর্মীদের দিয়ে ভুয়ো কোভিড পরীক্ষা এবং ভুল ও মিথ্যে রিপোর্ট দিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া-সহ মহামারী ছড়ানো, কোটি কোটি টাকার সরকারী অর্থের অপচয় করার অভিযোগে এবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হল। বিষ্ণুপুর থানায় সোমবার অভিষেক-সহ তৎকালীন জেলাশাসক, ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন মহকুমা ও ব্লকের একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি)। 

    সোমবার বিষ্ণুপুর থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এহেন লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি নেতা। ববি জানান, ২০২২ এর ১২ জানুয়ারি একদিনে ৫৩ হাজার করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন অভিষেক। অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, প্রশিক্ষিত নন এমন আশাকর্মীদের দিয়ে করোনা পরীক্ষা করানো হয়। যা আইসিএমআর-এর নির্দেশিকা লঙ্ঘন করারই সামিল। যার পরিণাম হয়েছিল ভয়ংকর। ইচ্ছাকৃতভাবে পজিটিভ রোগীদের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়েছ বলেও অভিযোগ বিজেপি নেতার। এখানেই শেষ নয়, পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রোগীদের রিপোর্টে নেগেটিভ দেখানো হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    ববির কথায়, ভুল রিপোর্টের ফলে পজিটিভ রোগীকেও ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ”ডক্টরস অন হুইলস, করোনা পরীক্ষার এত কিট কোথা থেকে এল, যদি সরকারি সহযোগিতাই থেকে থাকে তাহলে একজন সাংসদের জন্য এই বিপুল পরিমাণ করোনা পরীক্ষার কিট কীভাবে সরকার থেকে অনুমোদিত হল, করোনা পরীক্ষার জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা কে দিল বা কোথা থেকে এল সেসবেরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।” আর সেই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়, তৎকালীন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন বিধানসভার বিধায়ক রাজনৈতিক নেতা, একাধিক প্রশাসনিক ও স্বাস্থ্য আধিকারিক এমন ২৫ জন-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। শুধু তাই নয়, অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর রুজু করার আবেদন জানান ববি। তাঁর কথায়,। সিট গঠন করে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন রয়েছে। পুরো ঘটনার পিছনে অনেক বড় দুর্নীতি রয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)