• ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ, অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পকসো কোর্টের
    News18 বাংলা | ২৮ জুলাই ২০২৬
  • অনাদায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্যাতিতা নাবালিকার পুনর্বাসনের জন্য রাজ্য সরকারকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার থানা এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ওই দিন বাড়িতে মা না থাকার সুযোগে, বিগড়ে যাওয়া টিভি সারানোর অজুহাতে প্রতিবেশী যুবক নন্দন টুমকি বাড়িতে ঢোকে। বাড়িতে ১১ বছরের নাবালিকাকে একা পেয়ে অভিযুক্ত জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

    পরবর্তীতে মা বাড়িতে ফিরলে ওই নাবালিকা পুরো ঘটনাটি তাঁকে জানায়। এর পরপরই নির্যাতিতার মা নন্দকুমার থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

    মামলাটির প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ আধিকারিক অমিত প্রামাণিক। পরবর্তীতে তদন্তভার গ্রহণ করেন দেবাশীষ বাগ এবং তিনিই নির্ধারিত সময়ে আদালতে চার্জশিট পেশ করেন। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া চলার পর, গত শুক্রবার তমলুকের বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক সুস্মিতা মুখার্জি অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। গত সোমবার আদালতের তরফে এই সাজা ঘোষণা করা হয়।

    অন‍্যদিকে, এক নার্সকে শরীরিক হেনস্থার ঘটনা ঘটে। গত মাসে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায় গড়িয়া ষ্টেশন সংলগ্ন কয়লাপট্টি এলাকায় চায়ের দোকান আছে সোমনাথ পণ্ডার৷ এই দোকানেই রাত্রি ১০টা নাগাদ চা খেতে যান এক নার্স৷ এছাড়া সোমনাথ পণ্ডার সাহায্যে তাঁর স্বামীর কাছে টাকা পাঠানোর দরকার ছিল বলেও জানাও নির্যাতিতা৷ তাঁর স্বামী ভিনরাজ্যে কর্মরত৷ দোকানে বসে কথা বলার সময় চায়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁকে খাওয়ানো হয় বলে দাবি তাঁর ৷ বেহুঁশ হয়ে পড়েন তিনি৷ বেশ কিছুসময় অচৈতন্য অবস্থায় দোকানেই ছিলেন ৷ যখন তাঁর জ্ঞান ফেরে তখন দেখেন তিনি তাঁর শরীরে পোশাক নেই৷ কোনওরকমে পোশান খুঁজে তা পরে রাত্রি আড়াইটা নাগাদ পালিয়ে যান৷ ঘটনাটি তিনি তাঁর পরিবারকে জানান৷ এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
  • Link to this news (News18 বাংলা)