ভুল চিকিৎসায় দশম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম হয় সোমবার। বিচারের দাবিতে দেহ নিয়ে সিউড়িতে মোমবাতি মিছিল হলো মঙ্গলবার। পা মেলাল স্কুলপড়ুয়ারা, শহরবাসী। শকটে শোওয়ানো ছিল মৈনাকের নিথর দেহ। মালায় ঢাকা সেই গাড়ি। শেষযাত্রায় থিক থিক করছে বিভিন্ন বয়সি মানুষের ভিড়। হাতে মোমবাতি। মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে, ‘মৈনাকের মৃত্যুর বিচার চাই।’
বীরভূমের সিউড়ির মালিপাড়ার বাসিন্দা মৈনাক দাস। বীরভূম জেলা স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়ত সে। রবিবার রাতে খাবার খাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ বোধ করে সে। রাতেই সিউড়ির এক বেসরকারি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, সেখানেই ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয় মৈনাকের।
পরিবারের অভিযোগ, পুরোপুরি ভুল ট্রিটমেন্টে মৃত্যু হয়েছে মৈনাকের। একটা ইনজেকশন দিতেই সব শেষ বলে অভিযোগ করে তারা। যদিও বেসরকারি ওই হাসপাতালের কর্ণধার সব্যসাচী সাহা বলেন, ‘যা যা করণীয় সবই করা হয়েছে আমাদের তরফে। স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। তাতে পেশেন্ট কিছুটা স্থিতিশীল হতে শুরুও করে। বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেই অবজ়ারভেশনের জন্য উপরে ওয়ার্ডে শিফ্ট করা হয়। ওয়ার্ডে শিফ্ট করার পরে ব্লাড প্রেসার ফল করতে থাকে পেশেন্টের। তারও যা প্রাথমিক চিকিৎসা, সবই করা হয়েছে। যে কোনও মৃত্যুর ঘটনাই খুবই দুঃখজনক। আমরাও পরিবারের সঙ্গে সমব্যথী। তবে ইনজেকশন যা দেওয়া হয়, নর্মস-এর মধ্যেই পড়ে।’