১২টি নতুন ভাইরাল হেপাটাইটিস চিকিৎসা কেন্দ্র বাড়ল। ২৮ জুলাই বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে নতুন এই ভাইরাল হেপাটাইটিস চিকিৎসা কেন্দ্রগুলির সূচনা করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। এই নিয়ে রাজ্যে মোট ৪৮টি হেপাটাইটিস সেন্টার হলো। ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ভারত ধারাবাহিক ভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে। জাতীয় ভাইরাল হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে সংক্রমণ রোধ, পরীক্ষা, বিনামূল্যে ওষুধ ও রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলায় বিজেপি সরকার আসার পরে, এ বার এ রাজ্যেও ভাইরাল হেপাটাইটিস চিকিৎসা কেন্দ্রে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয় স্বাস্থ্য ভবনে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ১২টি নতুন ভাইরাল হেপাটাইটিস চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকারও। এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের পাশাপাশি এ দিন উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।
সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসকদের একটি সমন্বয় কমিটির পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্যভবন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমন্বয় কমিটি তৈরি করাটা মৌখিক ভাবে প্রায় শেষ। বেসরকারি ডাক্তারদের আনা কিছুটা অসুবিধা, কারণ তাঁদের ব্যস্ততা। সরকারি ডাক্তাররা আসতে বাধ্য হন, বেসরকারি চিকিৎসকরা তো আর বাধ্যবাধকতার মধ্যে থাকেন না। আমরা ভালোবেসে, সম্মান দিয়ে ডেকেছি।’
হেপাটাইটিস লিভার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা ক্ষেত্রে নামকরা চিকিৎসক মহেশ গোয়েঙ্কা, সুজিত চৌধুরী, অভিজিৎ চৌধুরী, দিলীপ টোডি, মইনুদ্দিন আহমেদ এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দ্রুত কমিটির মিটিং ডাকা হবে। স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা SOP তৈরি করা হবে কয়েক দিনের মধ্যেই। হেপাটাইটিস, নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজ়িজ়, অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজ়িজ় নিয়েও অ্যাড্রেস করা হবে।