সংসদে প্রশ্নফাঁস বিরোধী পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনায় বিতর্ক। নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর বিরুদ্ধে ‘প্রমাণ ছাড়া’ অভিযোগ করে বিপাকে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। বিজেপির দাবি, প্রিয়াঙ্কাকে ক্ষমা চাইতে হবে।
প্রশ্নফাঁস রুখতে কেন্দ্র সংসদে যে কড়া বিল এনেছে, সেই বিল নিয়ে বলতে গিয়ে সেই কেন্দ্রকেই নানাভাবে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা করলেন ওয়ানড়ের কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর নিশানায় ছিলেন দেশের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। প্রিয়াঙ্কা বলেন, “বিজেপি এমন একজনকে শিক্ষামন্ত্রী করল যিনি একজন গর্ভবতী মহিলার ধর্ষকদের সংবর্ধনা দিয়েছেন।” প্রিয়াঙ্কা প্রহ্লাদ যোশীকে নিশানা করে এই মন্তব্য করার সঙ্গে সঙ্গে শাসক শিবির থেকে সেটার প্রতিবাদ শুরু হয়।
কিরেন রিজিজু-নিশিকান্ত দুবে’রা পালটা বলেন, “এভাবে কোনও প্রমাণ ছাড়া কোনও মন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না।” পালটা কংগ্রেসের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল বলে দেন, “এই সদনেই জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধীদের নিয়ে কোনওরকম প্রমাণ ছাড়া অবান্তর অভিযোগ করা হয়েছে। সেগুলি রেকর্ডেও রয়েছে।” পালটা নিশিকান্ত দুবে বলেন, “আমরা যা বলেছি সেটার প্রমাণ দিয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী সংসদে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে সে নিয়ে আগে থেকে স্পিকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে জানাতে হয়। প্রিয়াঙ্কা সেটা করেননি। তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে।” প্রিয়াঙ্কা জবাবে ক্ষমা চাইতে রাজি হননি। তিনি জানিয়েছেন, “নিজের বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ দিতে তিনি প্রস্তুত।” শেষপর্যন্ত প্রিয়াঙ্কার ওই মন্তব্য রেকর্ডে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্পিকার।
শুধু প্রহ্লাদ যোশী নন, বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে যেভাবে সংসদে রাজার মতো সম্মান দিয়েছেন, স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদরা-সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ। প্রিয়াঙ্কার প্রশ্ন, “ধর্মেন্দ্র প্রধান কি কোনও সুপারস্টার? তিনি সংসদে এভাবে সংবর্ধনা পেলেন কেন? এতে দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে কী বার্তা যাবে?”