• এআই ক্যামেরার দৌলতে রোখা গেল হাতির হানাদারি
    বর্তমান | ২৯ জুলাই ২০২৬
  • সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সোমবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ১৫টি হাতির একটি পাল লোকালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। সেই ভিডিয়ো ফুটেজ জলদাপাড়ার কন্ট্রোল রুমে চলে আসে। যা দেখতেই তৎপর হয়ে ওঠেন বনকর্মীরা। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে বনকর্মী ও র‌্যাপিড রেসপন্স টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। হাতির পালটিকে লোকালয়ে আর ঢুকতে দেননি তাঁরা। জঙ্গলের বিভিন্ন জায়গায় এআই নির্ভর সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। নজরদারিতে মানুষ-হাতি সংঘাত আটকানোর এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বনদপ্তর। 

    ক্যামেরায় ধরা পড়ার ওই ছবি মঙ্গলবার জলদাপাড়া বনবিভাগ তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রকাশ করেছে। গত একবছর ধরে হাতি-মানুষ সংঘাত আটকাতে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ এআই নির্ভর ক্যামেরায় নজরদারি চালাচ্ছে। বনদপ্তরের দাবি, এই প্রযুক্তি প্রয়োগে গত এক বছর ধরে মানুষ-হাতি সংঘাতে বিরাট সাফল্য মিলেছে। সেই দপ্তরের পক্ষ থেকে এই ধরনের আরও আধুনিকমানের ক্যামেরার জন্য রাজ্যে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। 

    বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে জলদাপাড়ার মাদারিহাট রেঞ্জের জঙ্গলে ১২০টি, ধুমচির জঙ্গলে ৬০টি, খয়েরবাড়ির জঙ্গলে ২৫টি, তিতির জঙ্গলে ১৫টি ও আশপাশ এলাকায় আরও ২০-২৫টি হাতির দল অবস্থান করছে। দপ্তরের এআই নির্ভর ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টাই নজরদারি চালাচ্ছে। কোনো হাতির পাল লোকালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যাচ্ছেন বনকর্মীরা। 

    বনদপ্তরের দাবি, আগে লোকালয়ে হাতি ঢোকার খবর পেতেই অনেকটা সময় গড়িয়ে যেত। এখন এআই নির্ভর ক্যামেরার নজরদারিতে সেই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে। ক্যামেরায় লোকালয়ে হাতি ঢোকার দৃশ্য ফুটিয়ে উঠলেই ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে দ্রুত যেতে পারছেন।
  • Link to this news (বর্তমান)