চাঁচলের খরবা পঞ্চায়েতে তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা পেশ
বর্তমান | ২৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদদাতা, চাঁচল: তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের সঙ্গে অনাস্থা আনলেন দলীয় সদস্যরাই। মালদহের চাঁচল-১ ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ব্লক অফিসে অনাস্থার আবেদন জমা দিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে খরবা এলাকার রাজনৈতিক মহলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ আসনের ওই পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের ১০, তৃণমূল ১৪ ও সিপিএমের ২ জন সদস্য রয়েছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। প্রধান হন তৃণমূলের রেহেনা পারভীন ও উপপ্রধান হন মলয় বসাক।
বিধানসভা ভোটে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর তৃণমূলেরই ছ’জন সদস্য বিদ্রোহী হয়েছেন। মোট ১৭ জন সদস্য এদিন অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি। তৃণমূলের পাশাপাশি একজন সিপিএম সদস্যও রয়েছেন বলে কংগ্রেস দাবি করেছে। এবং তৃণমূল সদস্যরা কংগ্রেস যোগদান করবেন বলেও আলোচনা চলছে হাত শিবিরে।
কংগ্রেস সদস্যদের অভিযোগ,রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন একনায়কতন্ত্র চালিয়েছেন প্রধান। সদস্যদের অন্ধকারে রেখেই বিভিন্ন কাজ করা হয়েছে। তাই এবার তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রধান রেহেনা পারভীন বলেন, তৃণমূল এখন ক্ষমতায় নেই। আগামী পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট দেবে বলে আমাদের সদস্যদের প্রলোভন দিয়ে কংগ্রেসে টানা হচ্ছে। আমি প্রধান থাকাকালীন এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বয়েছে। সবাইকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হত।
যদিও প্রলোভনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সদস্যরা।
পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য মঞ্জুর রহমান মণ্ডল বলেন, প্রধান আমাদের বিরোধীদের গুরুত্ব দেননি। পূর্ববর্তী আমাদের বোর্ড যেভাবে কাজ করেছে, তাঁরা শাসক দলে থেকেও উন্নয়ন করতে পারেননি। তৃণমূলের একাংশ সদস্যও আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।