হাওড়ার পর এবার উত্তরবঙ্গ। বাড়ছে আমূলের যাত্রা। বাড়ছে বিনিয়োগ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বঙ্গ পদ্ম সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর হাত ধরে সম্প্রতি আমূলের ডেয়ারি শিল্পের সূচনা হয়। সাঁকরাইলে সেই ৭০০ কোটির ডেয়ারি প্রকল্পের পর এবার উত্তরবঙ্গে ১৫ একর জমিতে গড়ে উঠতে চলেছে আমূলের অত্যাধুনিক মেগা আইসক্রিম কারখানা।
এই প্রকল্পে উন্নত মানের আইসক্রিম উৎপাদনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মাখন-সহ অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যও তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। নতুন এই উদ্যোগ উত্তরবঙ্গে শিল্প, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মত বঙ্গবাসীর। হাওড়ার সাঁকরাইলে বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কারখানা গড়ার কাজ জোরকদমে চলেছে। আমূলের এই মেগা প্রকল্পে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে, যার দৈনিক দই উৎপাদনের ক্ষমতা হবে ১০ লক্ষ কেজি।
আরও পড়ুন– আমেরিকায় পাশ রাশিয়া-সংক্রান্ত বিল, ভারতের উপর ১০০% ট্যারিফের আশঙ্কা! আইন হলে কীভাবে বাড়তে পারে বিপদ?
বাংলায় পালাবদলের পর অবশেষে কাটতে চলেছে দীর্ঘদিনের শিল্প-খরা। রাজ্যে তৈরি হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দই কারখানা। শুধুমাত্র আমূলই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের আমলে একে একে উদ্যোগপতিরা এ রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিনিয়োগও করছেন। সরকারও তাঁদের পাশে থাকার কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন– ভারতের ‘অফিসার গ্রাম’! দেশের শিক্ষার মানচিত্রে এই দুই গ্রামের যেন আলাদাই স্থান, প্রায় সবাই IAS, IPS
সরকারের পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকেও শিল্পবন্ধু বার্তা দিয়ে শিল্পপতিদের বঙ্গে শিল্প স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন খোদ দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য। আমূলের আইসক্রিম কারখানা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘‘আমূলকে আমরা আইসক্রিম কারখানা তৈরির জন্য ১৫ একর করে দুটো জায়গা দিচ্ছি। একটা দক্ষিণবঙ্গ আর একটা উত্তরবঙ্গে। উত্তরবঙ্গের জায়গা চিহ্নিত করেছে শিল্প দফতর।’’
তৃণমূল সরকারের জমানায় শিল্পে কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ, তোলাবাজি-সহ একাধিক বিষয়ে বারবারই সরব হতে দেখা গেছে বিজেপিকে। আর এবার ক্ষমতায় এসেই সেই অভিযোগ তাদের আমলে উঠলেই যে একেবারে জিরো টলারেন্স নীতি পালন করার কথা স্পষ্ট করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও।