• পাঁচ বছরে দেশে ৩ গুণ হল ধনকুবেরের সংখ্যা! ধনবৈষম্যও কমার দাবি কেন্দ্রের
    প্রতিদিন | ৩০ জুলাই ২০২৬
  • আম্বানি-আদানিদের মতো ধনকুবেররা আর হাতেগোনা নন। দেশে নিয়মিত হারে বাড়ছে এই ধনকুবেরদের সংখ্যা। অর্থাৎ আরও ধনী হচ্ছেন ধনবানরা। অন্তত কেন্দ্রীয় সরকারের হিসাব তাই বলছে। তবে বড়লোকের ধনবৃদ্ধির অর্থ এই নয় যে, গরিবদের সম্পদ বাড়ছে না। কেন্দ্রের দাবি, গত কয়েক বছরে কমেছে ধনবৈষম্যও।

    সম্প্রতি সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে ধনকুবেরদের সংখ্যাটা নিয়মিত বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশে ১০০ কোটির বেশি বার্ষিক রোজগার এমন ধনকুবেরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৬ জন। ২০২১-২২ সালে এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ১৪২। অর্থাৎ পাঁচ বছরে সংখ্যাটা প্রায় ৩ গুণ হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে এই ধনকুবেরের সংখ্যাটা ছিল ৪১৫।

    অর্থাৎ প্রতিবছর এই সংখ্যাটা বাড়ছে। যদিও কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে সরকারিভাবে ‘ধনকুবের’ কথাটার সংজ্ঞা এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে মোটের উপর বার্ষিক রোজগার ১০০ কোটির বেশি হলে তাঁদের ধনকুবের হিসাবে ধরা হচ্ছে। সেই সংখ্যাটাই পাঁচ বছরে ৩ গুণ বেড়েছে। 

    বিরোধীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, মোদি জমানায় গরিব এবং ধনীদের মধ্যে ধনবৈষম্য বাড়ছে। গরিব আরও গরিব হচ্ছে। ধনী হচ্ছে আরও ধনী। যদিও কেন্দ্র সরকার সেই অভিযোগ মানতে নারাজ। কেন্দ্রের দাবি, ধনীর সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি গরিবের সংখ্যা। বরং ধনবৈষম্য কমছে। কেন্দ্র ২০২৩ সালের সমীক্ষা দেখিয়ে দাবি করছে, গিনি কোএফিসিয়েন্টে ভারত খানিকটা হলেও এগিয়েছে। শহরাঞ্চলে এই সূচকে ভারত বর্তমানে দাড়িতে ০.২৩৭-এ। যা আগে ছিল ০,২৬৬। গ্রামাঞ্চলে আগে এই সূচকে ভারত ছিল ০.৩১৪-এ সেটা কমে হয়েছে ০.২৮৪। এই সূচক শূন্য হয়ে যাওয়া মানে গরিব এবং বড়লোকের কোনও বিভেদ নেই। আবার এই সূচক ১ হয়ে যাওয়া মানে সব সম্পদ একজন ধনীর অধীনে। ভারতের বর্তমান যে অবস্থান সেটাও উদ্বেগজনক। তবে আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে পরিস্থিতির।
  • Link to this news (প্রতিদিন)