পেটের সন্তান মৃত বলে তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচার, দেখানোই হল না পরিবারকে! চেম্বারে বড় কেলেঙ্কারি?
News18 বাংলা | ৩০ জুলাই ২০২৬
চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা, পল্লী ক্লিনিক ও ফার্মেসি বন্ধ করলেন গ্রামবাসী। হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট এলাকায় এক গর্ভবতী মহিলার চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে একটি পল্লী ক্লিনিক ও সংলগ্ন ওষুধের দোকান বন্ধ করে দেন রোগীর পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, মতিনূর নাহার নামে এক গর্ভবতী মহিলাকে চিকিৎসার জন্য বরুণহাট এলাকার একটি ওষুধের দোকানে বসা এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই চিকিৎসক পরিবারের সদস্যদের জানান, গর্ভের সন্তান মারা গিয়েছে এবং দ্রুত অস্ত্রোপচার করা প্রয়োজন। এরপর পরিবারের সম্মতিতে অস্ত্রোপচার করা হয়। অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর গর্ভ থেকে কী বের করা হয়েছে, তা পরিবারের কাউকে দেখানো হয়নি।
ফলে গর্ভের শিশুটি সত্যিই মৃত ছিল, নাকি জীবিত অবস্থায় বের করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, পুরো বিষয়টি তাদের অজানা থেকে গিয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর ওই মহিলার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার পর তিনি ভবিষ্যতে আর মা হতে পারবেন না। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্লিনিক ছেড়ে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এরপর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী পল্লী ক্লিনিক ও সংলগ্ন ফার্মেসি বন্ধ করে দেন। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদৌ বৈধ চিকিৎসক কি না, তা প্রশাসনের উচিত খতিয়ে দেখা। পাশাপাশি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।