• বীরভূমে টাকার পাহাড় নিয়ে বিস্ফোরক মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
    আজকাল | ৩০ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: বীরভূমে টাকার পাহাড় নিয়ে তৃণমূলকে ফের একবার তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, কেষ্ট মণ্ডলের চ্যালারা তো এরকমই হবে। সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার কমপ্লেন তো কেষ্ট মণ্ডলের বিরুদ্ধে আছে। ওনার চ্যালা চামুন্ডার কাছে এইটুকু টাকা তো থাকবেই। কিভাবে লুঠ হয়েছিল ভাবুন। কেন বীরভূম গরিব। কেন মুর্শিদাবাদ গরিব। সারা দেশের চোখে এই দুটি গরিব জেলা। কেন গরিব এবার বোঝা যাচ্ছে। ওই জেলার সম্পদ লুঠ করা হয়েছে। সাধারণ জনতা গরিব আছে। খোঁজ খবর বিচার শুরু হয়ে গেছে। আরও বেরোবে। যোগ্য শাস্তি সবাই পাবে। 

    তিনি আরও যোগ করেন, টুলু মণ্ডল বিখ্যাত ব্যক্তি। সবাই চেনে। কয়লা খাদান এবং কোল বেল্টে পরিচিত নাম। অনেক নেতাকে খুশি রাখত। নিজেও করে খেত। তৃণমূল এরকম অনেক এজেন্ট ফিক্স করেছিল। পুলিশও করেছিল। এরা ফিক্স করে পুলিশের হাতে দিত। পুলিশ সেটা নবান্ন এবং কালীঘাটে পাঠাত। এখন সব লিঙ্ক কেটে গেছে। সব একস্পোজ হয়ে গেছে। এখন পুলিশ নিজেই অ্যাকশন নিচ্ছে। পার্থ চ্যাটার্জি থেকে শুরু করে টুলু মণ্ডল। একেকটা অধ্যায়। আরও আছে। আপনারা জানেন না। অনেকে লাস্ট বেঞ্চে বসে আছে। তাদের ওজন আরও ভারী।

    এদিন ভাল তৃণমূল প্রসঙ্গেও একেবারে সোজাসাপটা ভাষায় নিজের মত দিলেন এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি তৃণমূলে ভাল খারাপ দেখিনা। তৃণমূলটাই খারাপ। তাই মানুষ বিদায় দিয়েছে। এরা অন্যায় করে যেখানেই যাক এমনকি স্বর্গে গেলেও লাভ হবে না। 

    রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বেড়েছে রাজস্ব আদায়। এবিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন আদায় হত না। পঞ্চায়েতে বাড়ির ট্যাক্স দিতে গিয়ে বলছে বাড়ি হচ্ছে না। তার লিঙ্ক নেই। কে চালায় ঠিক নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে টাকাপয়সা দিয়ে সেটিং করে সব করা হয়েছে। এত জমি বাড়ি বিক্রি বা হস্তান্তর। তাও রাজস্ব আসেনি। কয়লা, বালি, ট্রান্সপোর্ট সব লুঠ হত। সেগুলি বন্ধ হতেই সরকারের ঘরে টাকা আসতে শুরু করেছে। দিল্লির টাকা আসত। লুঠ হয়ে যেত। উন্নয়ন থেকে অনেক দূরে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। এবার গতি আসবে। 

    বুধবারই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছেন মিড ডে মিলে ডিম থাকছে। এবিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইস্কন ঠিক করবে না কি খাওয়ানো হবে। তারা একটা এজেন্সি। আগেও এরকম এজেন্সি ছিল। তখন ডিম নেতারা খেয়ে নিত। তখন কেউ কিছু বলেনি কেন? ডিম হরিণঘাটা সাপ্লাই দেয়। সরকার যদি মনে করে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ডিম দেবে তাহলে দেবেই। নিশ্চই ডিম খাওয়ানো হবে।
  • Link to this news (আজকাল)