সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত! ৫ বছর পর হিলি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাথর পাঠাচ্ছে ভারত
প্রতিদিন | ৩০ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে পাথর রপ্তানি শুরু করল ভারত। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে চলতে থাকা অচলাবস্থা এবং তাদের আভ্যন্তরীণ নীতির কারণে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড়সড় প্রভাব পড়ে। যদিও তারেক সরকারে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক। এহেন পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মন্দা কাটছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত এবং বাংলাদেশের দুই দেশের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে এই বাণিজ্যে যুক্ত সকলেই খুশি।
তিনদিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেরা জেলা দক্ষিণ দিনাজপুর। এই জেলার হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধভাবে মানুষ পারাপার এবং আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। আগে ভারত থেকেই দিনে অন্তত ২৫০ গাড়ি বাংলাদেশে যেত বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে। এতে ভারত সরকারের বড় অংকের রাজস্ব আদায় হত। এছাড়া পণ্য ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পরিবহণ ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং হিলির সামগ্রিক অর্থনৈতিক লেনদেন বৃদ্ধি পেত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে চলা অচলাবস্থা এবং তাদের আভ্যন্তরীণ নীতির ফলে এই বাণিজ্য কার্যত মন্দা হয়ে পরেছে। এহেন পরিস্থিতিতে দিনে ২৫-৩০ লরি সামগ্রী আমদানি করে বাংলাদেশ। তবে এবার ভারত থেকে পাথর ক্রয় করা শুরু করল বাংলাদেশ।
প্রথম পর্যায়ে ১,০০০ মেট্রিক টন পাথর আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিবেশী এই দেশ।
জানা গিয়েছে, এরপরই নতুন করে ব্যস্ততা শুরু হয়েছে সীমান্তে। জানা গিয়েছে, বিহারের পাকুড় থেকে পাথরবোঝাই লরি হিলি চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছে। হিলি ব্যবসায়ী সূত্রে খবর, ভারতে পার্কিং চার্জ বৃদ্ধি এবং ওভারলোডিং বন্ধ-সহ বিভিন্ন কারিগরি ও নীতিগত জটিলতার কারণে ২০২২ সাল থেকে হিলি বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি স্থগিত হয়ে পড়েছিল। এরসঙ্গে তো বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ সমস্যা তো ছিলই। এই প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী রাজেশ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ”পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকলে আগামীতে অন্যান্য সামগ্রীও রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক অবস্থার সমৃদ্ধি ঘটবে। বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।”