• ‘টুলু মণ্ডল বিখ্যাত ব্যক্তি, সবাই চেনে,’ লিঙ্ক, এক্সপোজ, অ্যাকশন...নিয়ে সপাট বলে দিলেন দিলীপ ঘোষ
    News18 বাংলা | ৩০ জুলাই ২০২৬
  • বাসচালক থেকে পাথর ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে গতকাল থেকে টানা ২৯ ঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পরে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ২৮ কোটি নগদ থেকে শুরু করে ১৫ কেজি সোনা৷ কোল বেল্টে জালিয়াতি, বেআইনি কারবারের রমরমা৷ এমনকি, অভিযোগ উঠেছে, পলাতক এই ব্যবসায়ী ২০২৪ সালে প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ করে বিয়ে দিয়েছিল মেয়ের৷ এবার এই গোটা ঘটনা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ৷

    টুলু মণ্ডলের মেয়ের বিয়ের বাজেট দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ ২০২৪ সালে চর্চায় এসেছিল তাঁর মেয়ের বিয়ে৷ অভিযোগ, মেয়ের বিয়েতে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছিলেন টুলু৷ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আরবাজ খান, জারিন খান, আফতাব শিবদাসানি, আসরানির মতো অভিনেতারা৷টলিউডের অঙ্কুশ হাজরা, দর্শনা বণিকেরা৷

    এদিন সকালে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘টুলু মণ্ডল বিখ্যাত ব্যক্তি। সবাই চেনে। কয়লা খাদান এবং কোল বেল্টে পরিচিত নাম। অনেক নেতাকে খুশি রাখত। নিজেও করে খেত। তৃণমূল এরকম অনেক এজেন্ট ফিক্স করেছিল। পুলিশও করেছিল। এরা ফিক্স করে পুলিশের হাতে দিত। পুলিশ সেটা নবান্ন এবং কালীঘাটে পাঠাত। এখন সব লিঙ্ক কেটে গেছে। সব একস্পোজ হয়ে গেছে। এখন পুলিশ নিজেই অ্যাকশন নিচ্ছে।’’

    বীরভূমে সরকারি বাসের প্রাক্তন চালক তথা পাথর খাদানের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২৯ কোটি টাকা, ১৫ কেজি সোনা৷ স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোকজন, যেমন তাঁর তৎকালীন নিরাপত্তারক্ষী সায়গাল হোসেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল এই মিনার মণ্ডলের আত্মীয় তথা বীরভূমনের নাম করা পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের৷

    এদিন এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘কেষ্ট মণ্ডলের চ্যালারা তো এরকমই হবে। সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার কমপ্লেন তো কেষ্ট মণ্ডলের বিরুদ্ধে আছে। ওনার চ্যালা চামুন্ডার কাছে এইটুকু টাকা তো থাকবেই। কিভাবে লুঠ হয়েছিল ভাবুন। কেন বীরভূম গরিব। কেন মুর্শিদাবাদ গরিব। সারা দেশের চোখে এই দুটি গরিব জেলা। কেন গরিব এবার বোঝা যাচ্ছে। ওই জেলার সম্পদ লুঠ করা হয়েছে। সাধারণ জনতা গরিব আছে। খোঁজ খবর বিচার শুরু হয়ে গেছে। আরও বেরোবে। যোগ্য শাস্তি সবাই পাবে।’’

    গতকাল ইডি অফিসে হাজিরা দেন সদ্য কালীঘাট তৃণমূল থেকে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়া মদন মিত্র৷ সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আমি তৃণমূলে ভাল খারাপ দেখিনা। তৃণমূল টাই খারাপ। তাই মানুষ বিদায় দিয়েছে। এরা অন্যায় করে যেখানেই যাক এমনকি স্বর্গে গেলেও লাভ হবে না।’’

    উত্তর: এতদিন আদায় হতো না। পঞ্চায়েতে বাড়ির ট্যাক্স দিতে গিয়ে বলছে বাড়ি হচ্ছে না। তার লিঙ্ক নেই। কে চালায় ঠিক নেই। ইচ্ছাকৃত ভাবে টাকাপয়সা দিয়ে সেটিং করে সব করা হয়েছে। এতো জমি বাড়ি বিক্রি বা হস্তান্তর। তাও রাজস্ব আসেনি। কয়লা বালি ট্রান্সপোর্ট সব লুঠ হতো। সেগুলি বন্ধ হতেই সরকারের ঘরে টাকা আসতে শুরু করেছে। দিল্লির টাকা আসত। লুঠ হয়ে যেত। উন্নয়ন থেকে অনেক দূরে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। এবার গতি আসবে।

    উত্তর: ইস্কন ঠিক করবে না কী খাওয়ানো হবে। তারা একটা এজেন্সি। আগেও এরকম এজেন্সি ছিল। তখন ডিম নেতারা খেয়ে নিত। তখন কেউ কিছু বলেনি কেন? ডিম হরিণঘাটা সাপ্লাই দেয়। সরকার যদি মনে করে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ডিম দেবে তাহলে দেবেই। নিশ্চই ডিম খাওয়ানো হবে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)