পুজোর আগেই বিরাট সুখবর! জলপাইগুড়ি থেকে ছুটবে একঝাঁক নতুন সরকারি বাস, কোন কোন রুটে চলবে? জানুন
News18 বাংলা | ৩০ জুলাই ২০২৬
আর ভোগান্তি নয়, পুজোর আগেই মিলবে স্বস্তি! দাঁড়িয়ে যেতে হবে না এবার বসেই যেতে পারবেন গন্তব্যে। পুজোর মুখেই জলপাইগুড়িতে পরিবহণে আসছে বিরাট ধামাকা! একঝাঁক নতুন বাস থেকে ‘পিঙ্ক কার্ড’, যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা পরিবহন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর। দুর্গাপুজোর আগেই জলপাইগুড়ি সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গের বাস পরিষেবাকে আরও মসৃণ ও আধুনিক করে তুলতে বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের পরিবহণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন। এতদিন বাসের সংখ্যা খানিক কম থাকায় টিকিট কেটেও দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হত কিন্তু এবার হবে তার মুশকিল আসান। এক ঝাঁক নতুনউৎসবের মরসুমে যাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে উত্তরবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ নিগম (NBSTC)-এর বহরে যুক্ত হতে চলেছে একঝাঁক নতুন সরকারি বাস।
সম্প্রতি জলপাইগুড়ির আর্ট গ্যালারিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজ্য জুড়ে মোট ৪৫০টি নতুন সরকারি বাস নামানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫০টি নতুন বাস সরাসরি এনবিএসটিসি (NBSTC)-কে দেওয়া হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করেন, এনবিএসটিসি-র অধীনস্থ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, কোচবিহার থেকে শুরু করে বহরমপুর পর্যন্ত প্রতিটি ডিভিশন ও মহকুমাই এই নতুন বাসের সুবিধা পাবে। দুর্গাপুজোর আগেই এই বাসগুলি রাস্তায় নামানোর জন্য জোরকদমে কাজ চলছে।
বাসের রঙ বদলানো প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাসের রঙ স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করার কোনও পরিকল্পনা না থাকলেও, মানুষের পছন্দ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ভাবা হতে পারে। এছাড়া বাসের চালক ও কন্ডাক্টরদের যাত্রীদের সাথে সুব্যবহার বজায় রাখার বার্তা দেন তিনি। নারীদের জন্যেও থাকছে বাড়তি উপহার। মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াতের পরিষেবা বহাল থাকছে এবং খুব দ্রুত তাঁদের জন্য ‘পিঙ্ক কার্ড’ চালু করা হবে। স্বচ্ছল ব্যক্তিরা চাইলে স্বেচ্ছায় এই ছাড় ত্যাগ করতে পারেন, তবে সাধারণ মহিলাদের জন্য এই সুবিধা জারি থাকবে।
জলপাইগুড়ি এনবিএসটিসি ডিপো থেকেও মিলেছে বড় স্বস্তির খবর। দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী কাউন্টারে রোদ-বৃষ্টি সহ্য করে টিকিট কাটতে হত যাত্রীদের। ডিপো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থায়ী টিকিট কাউন্টার সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে। খুব দ্রুত নতুন টিকিট ঘর চালু হলে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। তাই এবার আর ঝক্কি পোহিয়ে যাতায়াত নয়, পুজোর আগে যাতায়াত হবে আরও সুগম, শান্তির।