দীর্ঘ ২২ বছরের চেষ্টায় দোষী সাব্যস্ত, জাল পাসপোর্ট মামলায় ৭ বছরের জেল ছোটা রাজনের
প্রতিদিন | ৩১ জুলাই ২০২৬
ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ দুষ্কৃতী মুম্বই বিস্ফোরণের মূলচক্রী দাউদ ইব্রাহিমের প্রাক্তন সঙ্গী ছোটা রাজন। দীর্ঘদিন ধরেই জেলবন্দি। এবার জাল নথির ব্যবহারে পাসপোর্ট বানানোর মামলায় সাত বছর কারাদণ্ডের শাস্তি হল তার। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের সিবিআই কোর্ট এই সাজা দিয়েছে ছোটা রাজনকে।
স্কুলের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট, রেশন কার্ডের মতো ভুয়া নথিপত্র বানিয়ে ‘বিজয় কদম’ পরিচয়ে আত্মগোপনকারী রাজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২২ বছরের আইনি লড়াইয়ে জয় পেল সিবিআই। দোষী সাব্যস্ত ছোট রাজন বর্তমানে নয়াদিল্লির তিহার জেলে বন্দি রয়েছে। অন্য একটি মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড শাস্তি ভোগ করছে।
দাউদের একদা শাগরেদের বিরুদ্ধে ভুয়ো নথি দিয়ে পাসপোর্ট তৈরির তদন্ত শুরু হয় ২০০২ সালে ১৯ মার্চ। অঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সঙ্গে তঞ্চকতার অভিযোগে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। সিবিআইয়ের এক মুখপাত্র জানান, তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত ছোট রাজন ভুয়া নথিপত্র জমা দিয়ে ‘বিজয় কদম’ নামে একটি ভারতীয় পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছিলেন। বিজয়া কদমের প্রকৃত নাম রাজেন্দ্র— যে নানা বা ছোট রাজন নামেও পরিচিত। সে মুম্বইয়ের বাসিন্দা সদাশিবের পুত্র।
সিবিআই দুই বছরের মধ্যে ২০০৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত ২২ বছর পর চেন্নাইয়ের সিবিআই কোর্ট দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের জেলের দিল কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে।