Big Breaking: মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে গভীর রাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। চারতলা একটি বাড়ির বড় অংশ আচমকাই ধসে পড়ে। এই ঘটনায় বাড়ির ভাঙা অংশে চাপা পড়ে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও চার থেকে আটজন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের উদ্ধার করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে অভিযান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ ভিওয়ান্ডির বালাজি নগর এলাকার কোহিনুর বিল্ডিংয়ের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে। বিকট শব্দে বাড়ির একাংশ ধসে পড়তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), থানে ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (TDRF), দমকল, পুলিশ এবং পুরসভার আধিকারিকরা।
উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ডগ স্কোয়াড, একাধিক ফায়ার ইঞ্জিন, অ্যাম্বুল্যান্স এবং ভারী আর্থমুভিং যন্ত্র। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া বাসিন্দাদের বের করে আনার চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধাপে ধাপে উদ্ধার অভিযান চলছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ এখনও ধ্বংসস্তূপের অনেকটাই সরানো বাকি রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরেই জীর্ণ অবস্থায় ছিল। কয়েক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়িটি খালি করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেখানে মেরামতির কাজ চলছিল। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও চূড়ান্তভাবে কিছু জানানো হয়নি। বাড়ি ধসের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ভিওয়ান্ডিতে পুরনো ও জীর্ণ ভবন ধসে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। বর্ষাকালে এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই ঘটনায় ফের একবার শহরের পুরনো আবাসন ও বাড়িগুলির নিরাপত্তা এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভিওয়ান্ডির বালাজি নগর এলাকায় কোহিনুর বিল্ডিংয়ের একটি অংশ ধসে পড়েছে।
প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের তরফে অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
হ্যাঁ। প্রশাসনের আশঙ্কা, এখনও ৪ থেকে ৮ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন।
NDRF, TDRF, দমকল, পুলিশ, পুরসভা, ডগ স্কোয়াড এবং চিকিৎসক দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।
সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জীর্ণ অবস্থায় ছিল, তবে এই তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও হয়নি।
উদ্ধার হওয়া আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছে।