টুলু মণ্ডলের সঙ্গে নিজের নাম জড়ানো নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অনুব্রত মণ্ডল। প্রয়োজনে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলেন কেষ্ট। বর্তমান সরকার ও শমীক ভট্টাচার্যের প্রশংসার পাশাপাশি টুলু মণ্ডলের মেয়ের বিয়েতে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে সতর্ক করলেন কেষ্ট।
কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ, কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। কিন্তু, গোটাটাই বেআইনি এবং বেনিয়মের। এমনই অভিযোগ টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে। সেই টুলু মণ্ডল নাকি বীরভূমের একসময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ? খবর ছড়িয়ে পড়তেই মুখ খুললেন কেষ্ট।
আরও পড়ুন: জুন-জুলাইয়ে টাকা পেলেও অগাস্টে পাবেন তো অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০টাকা…? না পেলে কী করবেন! জানুন সরকারি নিয়ম
এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে, বিজেপি সরকার এবং পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেন, “এই সরকার ভাল কাজ করছে, পুলিশ ভাল কাজ করছে.. আমি পুলিশকেও ধন্যবাদ জানাই, সরকারকেও ধন্যবাদ জানাই। DIG যাঁরা আছে, তাঁদের ও ধন্যবাদ জানাই।”
তবে একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে অনুব্রত সাফ বলেন, টুলু মণ্ডল নেহাতই পরিচিতি। কখনও তাঁর ঘনিষ্ঠ ছিলেন না। কেষ্টর কথায়, “আমায় টানলে এবার আমি ছাড়ব না, মানহানির মামলা করব। বীরভূম জেলায় প্রতিদিন সাড়ে ৩ কোটি টাকা রেভিনিউ হত। সবটাই পাথর নয়, সেখানে ওভারলোডিং রয়েছে, মদ রয়েছে, বালি রয়েছে.. সমস্ত ডিপার্টমেন্ট মিলে এই রোজগারটা হত।”
“নাজির মোল্লা আমাকে চেনে। টুলু মণ্ডল আমার পরিচিতি। ওই বিয়েতে আমি যাইনি। নাজির মোল্লা, কমল খান আমায় চেনে। কিন্তু টুলু মণ্ডলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কী করে হলাম? আমি তো আড়াই বছর জেলে ছিলাম। তখন কী হয়েছে কী করে বলব? টুলু মণ্ডলের অঞ্চল আছে, ও দু-তিনবার আমার সঙ্গে মঞ্চে ছিল। তার মানে ও আমার ঘনিষ্ঠ হয়ে গেল?”
অনুব্রত বলেন, “আমি যখন জেলা সভাপতি ছিলাম, আমার কাছে অনেকেই আসতেন। তা বলে আমার ঘনিষ্ঠ হয়ে গেল? ওঁর মেয়ের বিয়েতে তো অনেকেই গিয়েছিল। আমি তো যাইনি। আমি কোনও ভোজবাড়িতেই যাই না।” যে বা যাঁরা টুলু মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর নাম জড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অনুব্রত।