• তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বন্দ্ব, পুর নির্বাচনে ভোটব্যাঙ্ক গুছিয়ে ফায়দা তুলতে কৌশল বৈঠকে আলিমুদ্দিন
    প্রতিদিন | ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে পথ হাঁটছে তৃণমূল। জনসমর্থন যাচাইয়ের পথও বন্ধ। বছর শেষে শহরাঞ্চলে পুরভোটে তার খানিক আঁচ মিলবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। তার আগেই জেলাস্তরে সাংগাঠনিক পরিস্থিতি ও পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনসমর্থনে ভাগ বসানোর কৌশল নির্ধারণ করতে বৈঠকে বসছে সিপিএম (CPM)। ২৯ ও ৩০ আগস্ট কল্যাণীতে রাজ্য কমিটির বর্ধিত অধিবেশনে সংগঠন ও জনসমর্থন নিয়ে কাটাছেঁড়া হবে বলে জানিয়েছেন পার্টির রাজ্য কমিটির এক সদস্য।

    বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলা হলেও ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব পড়েনি। পাঁচ শতাংশেই আটকে রয়েছে পার্টির জনসমর্থন। বিজেপি বা তৃণমূলের দিকে চলে যাওয়া গরিব মানুষের ভোট ফেরানো যায়নি। তবে আশা জাগিয়েছে দুটি ঘটনা। প্রথমটি, এবারে নির্বাচনে খাতা খুলতে পেরেছে পার্টি। বিধানসভায় গিয়েছেন একজন বিধায়ক। দ্বিতীয়ত, ফলতা নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে চলে আসা। পার্টির শীর্ষনেতৃত্ব মনে করছে, রাজ্য রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন না হলে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মানুষ ফিরবে। 

    তার জন্য পার্টির পাশাপাশি ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক ও শিক্ষক সংগঠনকে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে জোর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবার রাজ্যের নয়া সিলেবাসের ওপর ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠনকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। শিক্ষায় গেরুয়াকরণের চেষ্টা হলে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাস্তার অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রত্যেক গণ সংগঠনকে অধিবেশনে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। অভিজ্ঞতা থেকেই নতুন পথের সন্ধান করবেন কমরেডকুলের নেতারা। অধিবেশনে রাজ্যের শীর্ষনেতৃত্ব ছাড়াও পলিটব্যুরোর সাত সদস্য ও জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা হাজির থাকবেন। গণ সংগঠনের শীর্ষনেতৃত্বকেও হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)