• আইএসআইয়ের অঙ্গুলিহেলনে বঙ্গে ‘মাদক জেহাদ’, বর্ধমানে জইশের হামিম হিমশৈলের চূড়া মাত্র!
    প্রতিদিন | ০১ আগস্ট ২০২৬
  • কলকাঠি নাড়ছে আইএসআই! আর তার হাত ধরে বাংলায় ডালপালা মেলছে জইশ জঙ্গিরা? খাগড়াগড় থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে বর্ধমানের অভিজাত আবাসন থেকে হামিম মণ্ডলের গ্রেপ্তারিতে বারবার উঠছে সে প্রশ্ন।

    এক যুগ আগে গত ২০১৪ সালে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে খাগড়াগড়। সেই প্রথমবার সরাসরি জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে পরিচিতি বাংলার। তারপর থেকে একাধিক জঙ্গিকে বাংলা থেকে পাকড়াও করেছেন তদন্তকারী। আর এবার বেঙ্গল এসটিএফের জালে কাশ্মীরের ‘সাজ্জাদ ভাট’ গোষ্ঠীর হামিম। এই সাজ্জাদ ভাট পুলওয়ামার মূলচক্রী। শোনা যাচ্ছে, ওই সাজ্জাদ ভাট ঘনিষ্ঠ হামিদ। তার কাজ ছিল পূর্ব ভারতে জেহাদের জাল বিস্তার। দেখতে সাদামাটা হলেও ক্ষুরধার বুদ্ধি। মগজধোলাইয়ের ক্ষমতা তুখড়। বাংলায় ঠিক কতদূর পর্যন্ত জাল বিস্তার করেছে হামিদ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    আসলে একসময় জঙ্গিদের ট্রানজিট পয়েন্ট ছিল বাংলা। মূলত বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসে গা ঢাকা দিত তারা। বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশে হাসিনা জমানা পতনের পর মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল জেহাদিরা। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বহু জঙ্গিকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তারেক সরকারের আমলে জঙ্গি কার্যকলাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এদিকে, আবার বাংলায় চলছে ‘পুশব্যাক’। বিজেপি সরকারের আমলে জেহাদের কালো ছায়া থেকে বাংলাকে মুক্ত করাই টার্গেট প্রশাসনের। দেশে ‘জেহাদি মাদক’ রোধে সাফল্য পেয়েছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় ‘সাজ্জাদ ভাট’ গোষ্ঠীর জঙ্গি হামিদের ধরপাকড় যে তদন্তকারীদের কাছে মাথাব্যথার কারণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে বেঙ্গল এসটিএফের আশা, তাকে জেরা করে জেহাদের চাঁইকে ভেঙেচুরে চুরমার করা সম্ভব হবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)