নয়াদিল্লি: যন্তর মন্তরে সোনাম ওয়াংচুকের অনশন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে এক আলাদা মাত্রা দিয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে দেশের নানা প্রান্তের ছাত্র-যুবরা এক ছাতার তলায় এসেছিল। তবে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ও দাবিদাওয়া পূরণের আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার হাত থেকে স্যুপ খেয়ে অনশন ভাঙেন সোনাম। ২৬ দিন পর তাঁর এই অনশন ভঙ্গকে কেন্দ্র করেই জোর জল্পনা শুরু হয়। কেউ কেউ বলতে শুরু করেন, সিজেপি ও ওয়াংচুকের মধ্যে ক্রমে দূরত্ব বাড়ছে। শুক্রবার সেই বিভাজনের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তাঁর সাফ বার্তা, ‘ওয়াংচুকের আত্মত্যাগ ভোলার নয়। আমাদের মধ্যে বোঝাপড়াও মোটামুটি একই রয়েছে।’
এদিন এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিপকে বলেন, ‘আমি তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। সোনম ওয়াংচুক স্যারের আত্মত্যাগ ভোলা যাবে না। ২৬ দিন ধরে নিজের জীবন বিপন্ন করে তিনি অনশন করেছেন। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তুলেছেন। নিজেকে বিপদে ফেলে জাতিকে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামিয়েছেন। ওঁর অনশন ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সম্ভব ছিল না।’
দিপকের সংযোজন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনশন শেষ করার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। বলেছিলাম, আপনি অনশন ভাঙুন। আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। তিনি যেদিন অনশন ভাঙলেন, আমরা সকলে স্বস্তি পেয়েছিলাম।’ হাসপাতালে বিজেপি নেতাদের উপস্থিতিতে সোনাম ওয়াংচুক অনশন ভাঙায় কি হতাশ হয়েছিলেন? প্রশ্নের উত্তরে দিপকে জানান, আমি সে কারণে হতাশ হইনি। আমার হতাশার কারণ হল, জেপি নাড্ডাদের সোনাম স্যারের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি। বিরোধী দলের সাংসদরা তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়েও পাননি। আসলে সোনাম স্যারকে একপ্রকার অপহরণ করে আটকে রেখেছিল সরকার।