• প্রধানমন্ত্রীর কাছে দরবার করলেন শতাব্দী, অমিত শাহের কাছে সাংসদ জুন
    বর্তমান | ০১ আগস্ট ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নিজেদের নতুন দলের ভবিষ্যৎ তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ হিসেবে কীভাবে কাজ করবেন, তা জেনে নিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। এখন তিনি নতুন দল এনসিপিআই’য়ের লোকসভার উপদলনেত্রী। যদিও এনসিপিআই’কে এখনো সংসদে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না স্পিকার ওম বিড়লা। অস্বস্তিতে রয়েছেন শতাব্দী সহ ২০ বিদ্রোহী তৃণমূলি। 

    বার বার বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও কাজ না হওয়ায় এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী। এদিন সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে প্রায় আধঘণ্টা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা হয়েছে শতাব্দীর। তুলেছেন ছবিও। বৈঠকের পর শতাব্দী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে সাংসদ হিসেবে নিজের এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। সে যে দলেরই এমপি হই না কেন। বলেছেন, হামারে সাথ চলিয়ে। কোই প্রবলেম নেহি হোগা।’ অন্যদিকে, অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জুন মালিয়া। বলছেন, সৌজন্য। 

    শতাব্দী এদিন বলেন, ‘আমাদের ২০ জন এনসিপিআই সাংসদ একজোট আছি। কোথাও কোনো মতান্তর বা মতভেদ নেই। তৃণমূলের বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে যে কাজ করা সম্ভব নয়, তা নিয়ে কারো মধ্যে দ্বিমত নেই। কারণ, মমতা ব঩ন্দ্যোপাধ্যায় তো দল বাঁচাতে চাইছেন না। অন্যকে আগলাতে চাইছেন।’ 

    এদিকে, এখনও এনসিপিআই হিসাবে সংসদে স্বীকৃতি না পাওয়ায় ২০ জনের মধ্যে অনেকেই ক্ষুব্ধ। একান্তে তাঁদের মন্তব্য, সংসদে আসছি বটে। কিন্তু বুঝতেই পারছি না সরকারপক্ষ, নাকি বিপক্ষ। এরকম ত্রিশঙ্কু অবস্থা মোটেই কাম্য নয়। 

    গত বুধবার তৃণমূলের সৌগত রায় এবং মহুয়া মৈত্রদের সঙ্গে বিদ্রোহী তৃণমূলের কয়েকজনকে খোশগল্প করতে দেখার পর থেকেই শুরু হয়েছে এই নজরদারি। সৌগতবাবু জানান, ওরা নজরদারি করছে। আসলে কয়েকজন ওদের ত্রিশঙ্কু অবস্থা মেনে নিতে পারছেন না। তাই তৃণমূলে ফেরানো যায় কি না, চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু মনে হচ্ছে ভেস্তে গেল। বিজেপি যে ম্যান মার্কিং করছে, তা কথাচ্ছলে শুক্রবার সৌগতবাবুকে জানিয়ে একপ্রকার সতর্কও করে দিয়েছেন বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। বলেছেন, দাদা, হম সব নজর কর রহে হ্যায়। 
  • Link to this news (বর্তমান)