• পড়ুয়া নেই, সাতটি জুনিয়র হাইস্কুল থেকে ১৬ জন শিক্ষককে অন্যত্র পোস্টিং
    বর্তমান | ০১ আগস্ট ২০২৬


  • নির্মাল্য সেনগুপ্ত, রায়গঞ্জ: কোথাও পরিকাঠামোয় ঘাটতি। কোথাও পড়াশোনার মান। আবার কোথাও অভিভাবকদের ইচ্ছায় বেসরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের চলে যাওয়া। এরকম একগুচ্ছ কারণে পড়ুয়ার অভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলায় একের পর এক জুনিয়র হাইস্কুল বন্ধের মুখে। এই অবস্থায় জেলার সাতটি জুনিয়র হাইস্কুল থেকে ১৬ জন শিক্ষককে তুলে অন্যত্র পোস্টিং দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল জেলা মাধ্যমিক স্কুল পরিদর্শকের দপ্তর। দপ্তরের যুক্তি, দীর্ঘ সময় ধরে ওই সাতটি স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা শূন্যে নেমে গিয়েছে। এই অবস্থায় বাধ্য হয়েই সেই স্কুলের শিক্ষকদের অন্য স্কুলে পোস্টিং দেওয়ার প্রশাসনিক কাজ শুরু হয়েছে। 

    জেলার মাধ্যমিক স্কুল পরিদর্শকের দপ্তর সূত্রে খবর, রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ ব্লকে সর্বমোট সাতটি স্কুল থেকে শিক্ষক তুলে নেওয়া হচ্ছে। সেগুলি হল, কালিয়াগঞ্জ বরুনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার রাঘবপুর বিদ্যাপীঠ, ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েতের খেশরাদিঘি আদিবাসী জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়, একই ব্লকের গুলন্দর জুনিয়র গার্লস স্কুল, ঘেরা জুনিয়র হাইস্কুল, চূড়ামন জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল, বিডিষোল জুনিয়র হাই এবং রায়গঞ্জের লক্ষণীয়া জুনিয়র হাইস্কুল। এই স্কুলগুলোতে দীর্ঘদিন ছাত্রছাত্রী না পাওয়ার সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতে চেষ্টা চললেও, সাফল্য মেলেনি। এই অবস্থায় জেলা শিক্ষা দপ্তরের বক্তব্য, দু’একদিনে স্কুলগুলিতে এই সমস্যা হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরেই ধাপে ধাপে পড়ুয়া কমে গিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্কুলগুলির তরফে পড়ুয়া ভর্তি নিয়ে ঘোরালো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হলেও, সমস্যা মেটেনি। এব্যাপারে ডিআই (মাধ্যমিক) দেবাশিস সমাদ্দার বলেন, সাতটি স্কুলে পড়ুয়া শূন্যে নেমে যাওয়ায়, সেগুলি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেভাবে সাড়া মেলেনি। তাই যেসব স্কুলে শিক্ষকের প্রয়োজন রয়েছে, আমরা সেগুলিতেই শিক্ষকদের পাঠাচ্ছি। আমরা জেলার সাতটি জুনিয়র হাইস্কুল থেকে ১৬ জন শিক্ষককে তুলে অন্যত্র পোস্টিং দিচ্ছি।
  • Link to this news (বর্তমান)