এসআইআরে বাদ পড়েছে নাম, কী হবে সেনসাসে? সিএএ মনে করিয়ে ‘অনুপ্রবেশ’ বার্তা শুভেন্দুর
প্রতিদিন | ০১ আগস্ট ২০২৬
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের মুখে সিএএ শুরু হয় বাংলায়। তাতে বাদ পড়েছিল বহু মানুষের নাম। অনেকেই সেই সময় ভোটও দিতে পারেননি। ট্রাইবুনালে আবেদনও করেছিলেন অধিকাংশ। শনিবার থেকে বাংলায় শুরু হয়েছে ১৬ তম জনগণনা। এখনও ট্রাইবুনালে যাঁদের নাম বিচারাধীন, এবার কী হবে তাঁদের? অনুপ্রবেশকারীদের জন্য শনিবার বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)।
কারা অনুপ্রবেশকারী এবং কারা শরণার্থী, তা স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দু’ধরনের লোক বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন। এক ধরনের হল অনুপ্রবেশকারী। যাঁরা বাংলায় থাকবেন না। চিহ্নিত করে যাচাই বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে।” এই মর্মে বীরভূমের সোনালি বিবির প্রসঙ্গ টানেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, “একজন অনুপ্রবেশকারীও থাকবে না। তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না। সিএএ-র আওতায় হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈনদের কেউ অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে বলেছে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালের মধ্যে যাঁরা প্রাণ কিংবা ধর্ম বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হবে না। বা পুলিশ হেনস্তা করতে পারবে না।”
যারা অনুপ্রবেশকারী, তারা কোনওভাবেই সরকারি সুযোগসুবিধা পাবেন না বলেই জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, “দেশের নাগরিক না হলে কোনও সামাজিক প্রকল্পের সুযোগসুবিধা পাবেন না। ভারতের নাগরিকদের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য দায়বদ্ধ। পরিচ্ছন্ন নাগরিক তালিকা এলে সরকারের পক্ষে কাজ করা সুবিধা হবে। এবারের ফর্মে বিস্তারিত তথ্য় দিতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে তথ্য এসে গেলে সামাজিক প্রকল্প কিংবা জাতিগত শংসাপত্র বা সুবিধা পেতে আলাদা করে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। চিরস্থায়ী রেকর্ড তৈরি হয়ে যাবে। আগামিদিনে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।” বলে রাখা ভালো, আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন ফর্মপূরণ করা যাবে। ১৬ আগস্ট থেকে একমাস বাড়ি বাড়ি ঘুরে চলবে ভেরিফিকেশনের কাজ। যাঁরা অনলাইনে ফর্ম ফিলআর করাতে পারবেন না, তাঁদের বাড়ি গিয়ে করে দেবেন আধিকারিকরা।