দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন একাধিক পড়ুয়ার মুখের ভাষা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। শুক্রবার রাতে সমাজমাধ্যমে লাইভ এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু যাঁদের উপরে পুলিশের লাঠিচার্জ হলো, যাঁরা আহত হলেন, তাঁদের নিয়ে কেন কিছু বললেন না প্রধানমন্ত্রী? প্রশ্ন তুললেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর দাবি, নাবালিকা-সহ মহিলা আন্দোলনকারীদের উপর অত্যন্ত ‘নৃশংস’ আচরণ করা হয়েছে। ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন দীপকে।
এক ভিডিয়ো বার্তায় দীপকে দাবি করেন, ২০ জুলাইয়ের আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জে ১২ বছর বয়সি মেয়েরাও আক্রান্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন মহিলা আন্দোলনকারীর পোশাক ছিঁড়ে যায় এবং তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। তিনি এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
দীপকে বলেন, ‘গতকাল আমরা সবাই মোদীজির একটি ভিডিয়ো দেখেছি। যেখানে তিনি পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। আমার ধারণা, আজ রাতে তিনি আরেকটি ভিডিয়ো আপলোড করবেন যেখানে আমি আশা করি, ২০ জুলাই যে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছিল, তার জন্য তিনি ক্ষমা চাইবেন। পুলিশের লাঠির আঘাতে ১২ বছর বয়সী মেয়েদের মাথায় আঘাত লেগেছিল। নারীদের পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল। এমনকী পুলিশ মেয়েদের গোপনাঙ্গেও আঘাত করেছিল।’
দীপকে বলেন, ‘গতকাল আমরা সবাই মোদীজির একটি ভিডিয়ো দেখেছি। যেখানে তিনি পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। আমার ধারণা, আজ রাতে তিনি আরেকটি ভিডিয়ো আপলোড করবেন যেখানে আমি আশা করি, ২০ জুলাই যে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছিল, তার জন্য তিনি ক্ষমা চাইবেন। পুলিশের লাঠির আঘাতে ১২ বছর বয়সী মেয়েদের মাথায় আঘাত লেগেছিল। নারীদের পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল। এমনকী পুলিশ মেয়েদের গোপনাঙ্গেও আঘাত করেছিল।’