‘তরুণরাই দেশগঠনের কারিগর’, মাইসুরুর রামকৃষ্ণ মঠ থেকে নয়া বার্তা মোদির
প্রতিদিন | ০২ আগস্ট ২০২৬
দেশের প্রগতির পথে তরুণেরাই সব। এবং সেই বার্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেছে নিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের মঞ্চকে। শনিবার মাইসুরুতে শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমে বক্তৃতার সময়ে মোদি বললেন, “দেশের উন্নয়নে মূল চালিকাশক্তি হিসাবে উঠে আসছে যুবসমাজই।” উৎপাদন শিল্প থেকে শুরু করে অর্থনীতি, মহাকাশ গবেষণা- সর্বক্ষেত্রে দেশের সাফল্যের নেপথ্যে নতুন প্রজন্মের অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণেরও বার্তা দেন।
আর মোদি যেদিন তরুণ সমাজকে বার্তা দিচ্ছেন, সে দিনই প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করায় অভিযুক্ত নাবালিকা ক্ষমা চাইল। এক ভিডিও বার্তায় জানায়, গোটা দেশের কাছে সে ক্ষমাপ্রার্থী। ভিডিওয় তাকে হাতজোড় করে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি ওদের দ্বারা (আন্দোলনকারী) প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর। আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্যই নয়। অনেক খারাপ কথা বলে ফেলেছি।” এটাই তাঁর জীবনের প্রথম ও শেষ ভুল বলে উল্লেখ করে নাবালিকাকে। তার সংযোজন, “আমি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি লজ্জিত। নিজের দিকে তাকাতে পারছি না। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে ছাত্র ও যুব সমাজের প্রতি ভিডিও বার্তায় মোদির মুখেও উঠে আসে তাঁর উদ্দেশে করা কটূক্তির প্রসঙ্গ। আন্দোলনের নামে ছাত্র ও যুব সমাজের এই অরাজকতা যে স্রেফ ভুল বোঝার প্রতিফলন, তা মনে করিয়েছেন। মোদির কথায়, “কারও কারও ভুল গাইডেন্সের কারণে পড়ুয়ারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ জীবন দিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই জীবন আমাদের বারবার শোধরানোর সুযোগ দিয়েছে। আর যৌবনকাল এমন একটা সময়, যখন আর ছোটবেলার ভুলগুলো করা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “সমাজে রাগ, ক্ষোভ যথেষ্ট, অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এর মাঝেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক রাস্তা দেখাতে হবে। সেটা আমাদেরই দায়িত্ব। শাস্তি দেওয়া, দূরে ঠেলে দেওয়ার মধ্যে কোনও সংশোধনের সম্ভাবনা নেই। দিগভ্রষ্ট ছেলেমেয়েদের কাছে টেনে বোঝাতে হবে।”