• সনাতনীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত! এবার মোদির বারাণসীতে এফআইআর রাহুলের নামে
    প্রতিদিন | ০২ আগস্ট ২০২৬
  • হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত। এবার দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে দায়ের হল এফআইআর। একা রাহুল নন, এফআইআর দায়ের হয়েছে বারাণসীরই সাংসদ অবধেশ প্রসাদ এবং পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধেও।

    জানা গিয়েছে, রাহুল গান্ধী, অবধেশ প্রসাদ এবং পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন বারাণসীর সাধু-সন্ত এবং আইনজীবীদের একটি দল। কাশী জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ওই সাধু-সন্তের অভিযোগের ভিত্তিতেই ৩ সাংসদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যয় সংহিতার ২৯৯, ৩০২ এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এগুলি মূলত ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার মামলা। আর শুধু বারাণসী নয়, রাহুল গান্ধী, পাপ্পু যাদব, অবধেশ প্রসাদ, ডিম্পল যাদব, ধর্মেন্দ্র যাদবদের বিরুদ্ধে দেশের আরও বহু থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। অভিযোগকারীদের দাবি, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন বিরোধী সাংসদরা।

    আসলে শুক্রবার সমাজবাদী পার্টির নেতৃত্বে মকরদ্বারের সামনে প্রতীকী দানপাত্র রেখে রামমন্দিরের চাঁদা চুরির প্রতিবাদ করছিলেন ‘ইন্ডিয়া’ সাংসদরা। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ‘চাঁদা চোর, গদি ছোড়’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন বিরোধী সাংসদরা। সেই সময় সেখানে গেরুয়া পোশাকে, কপালে তিলক ও গলায় রুদ্রাক্ষের মালা পরে সাধুর বেশে হাজির হন বিহারের পূর্ণিয়া কেন্দ্রের নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব ওরফে রাজীব রঞ্জন। তাঁর হাতে ছিল রামমন্দিরের রামলালার ছবি। এর পরই শুরু হয় পথনাটিকার ধাঁচে সেই প্রতিবাদ। রাহুল গান্ধী, ডিম্পল যাদব-সহ বিরোধী সাংসদরা একে একে দানপাত্রে নিজেদের মতো করে দান করছিলেন। হঠাৎ করেই রাহুলের হাত থেকে টাকা নিয়ে দানপাত্রে না ফেলে তা পকেটে চালান করে দেন পাপ্পু। পথনাটিকা চলার সময় পাপ্পুর হাতে থাকা রামলালার ছবি মাটিতে পড়ে যায়। এক সময় পাপ্পুর পায়েও লাগে।

    এই সব মিলিয়েই এদিন দেশের বিভিন্ন থানায় পাপ্পু, রাহুল, অবধেশ, ডিম্পল, ধর্মেন্দ্রর বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। কোথাও গেরুয়া বসনে আসায় ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ করা হয়। কোথায় রামের ছবি ভুলুণ্ঠিত হওয়ায় রামভক্তদের আলোকে অপমান করার কথা বলা হয়। সূত্রের খবর, বিভিন্ন থানায় অভিযোগ গ্রহণ করার পর পরবর্তী পদক্ষেপের আগে আইনি পরামর্শ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)