নিট আন্দোলনে অংশ নিয়ে যাঁরা আইনি জটিলতায় পড়েছেন, তাঁদের সাহায্য করতে তহবিল গড়ার ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই তহবিলে এক কোটি টাকা দান করার কথা বলেছেন প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিবাল। এই বিষয়টিতে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন গুজরাটের এক তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী।
সুরাটের ওই আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির মতে, সিজেপি কোনও নিবন্ধিত সংগঠন না হয়েও, একটি রাজনৈতিক দলের মতোই কাজ করে যাচ্ছে। তারা যদি এক কোটি টাকার অনুদান পেয়ে থাকে, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ২৯এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের উচিত, এই বিষয়টি অবশ্যই অনুসন্ধান করে দেখা। প্রবীণ আইনজীবী যে অর্থ তহবিলে দান করার কথা বলেছেন, তার উপর জিএসটি প্রযোজ্য হবে কি না, তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক পর্ষদকেও চিঠি লিখেছেন অমিত।
আরটিআই কর্মী প্রশ্ন তুলেছেন, সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকের বিদেশে পড়াশোনা খরচের উৎস নিয়েও। তাঁর প্রশ্ন, মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হয়েও কী ভাবে ছেলে দীপকের বিদেশে পড়াশোনার খরচ জোগান দেন তাঁর বাবা? এই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা উচিত বলে দাবি অমিতের।