• মা ফ্লাইওভারে চিনা মাঞ্জার আতঙ্ক, গুরুতর জখম স্কুল শিক্ষিকা
    এই সময় | ০২ আগস্ট ২০২৬
  • কলকাতার ব্যস্ত মা ফ্লাইওভারে চিনা মাঞ্জার আতঙ্ক। গুরুতর জখম কলকাতার এক স্কুলের শিক্ষিকা এশা মণ্ডল। শনিবার বাইকে চেপে মা ফ্লাইওভার দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়েই ঘটে দুর্ঘটনা। সুতোর টানে তাঁর নাক, চোখ-সহ মুখের একাধিক অংশ কেটে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় এশাকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার SSKM হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতের ক্ষতস্থানে প্রচুর কাচের গুঁড়ো ছিল। তবে আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    সূত্রের খবর, এশা দুর্গাপুরের বাসিন্দা হলেও গত তিন বছর ধরে কলকাতায় থাকেন। তিনি শহরের একটি স্কুলের শিক্ষিকা। ঘটনার দিন বাইক-ট্যাক্সি করে মা ফ্লাইওভার দিয়ে যাচ্ছিলেন এশা। সেই সময়ে হঠাৎ একটি চিনা মাঞ্জা তাঁদের সামনে চলে আসে। বাইকের চালক সুতো দেখতে পেয়ে মাথা নিচু করে নেন। কিন্ত এশা বুঝতে পারেননি। যার জেরে মুহূর্তের মধ্যে চিনা মাঞ্জায় তাঁর মুখের একাংশে কেটে যায়। এর পরে বাইক চালকই এশাকে SSKM হাসপাতালে নিয়ে যান।

    এশা মণ্ডল বলেন, ‘চিনা মাঞ্জার বিষয়ে আমার কিছু জানা ছিল না। হাসপাতালের চিকিৎসকরা আমাকে বলেছেন, মা ফ্লাইওভারে বহু লোকজন চিনা মাঞ্জার শিকার হয়েছেন। এমনকী অনেকের মৃত্যুও হয়েছে চিনা মাঞ্জার জেরে। চিকিৎসকরা আমার ক্ষত স্থান থেকে প্রচুর কাচের গুঁড়ো বার করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সুতোটা যখন প্রথম মুখে লাগল মনে হয়েছিল বিদ্যুতের শক লাগল। তার পরে বাইক সাইড করার পরে দেখি খুব বাজে ভাবে আামার মুখের একাধিক জায়গা কেটে গিয়েছে। বাইক চালক বললেন চিনা মাঞ্জায় আমার মুখ কেটে গিয়েছে।’

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চোখে চশমা ছিল এশার। সেই কারণে চোখের কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে চশমার কাচ চিনা মাঞ্জায় ঘষে গিয়েছে। তবে বর্তমানে এশার অবস্থা স্থিতিশীল। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

    দুর্ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন এশা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁর মা রুমা মণ্ডল বলেন, ‘মা ফ্লাইওভারে চিনা মাঞ্জার খবর সংবাদ মাধ্যমে আগে দেখেছি। কিন্তু আমার মেয়েই, যে সেই ঘটনার শিকার হবে, তা ভাবতে পারেনি।’

    কলকাতার মা ফ্লাইওভারে শনিবার এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    কলকাতার একটি স্কুলের শিক্ষিকা এশা মণ্ডল চিনা মাঞ্জার আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন।

    এশা মণ্ডল বাইক-ট্যাক্সিতে করে মা ফ্লাইওভার দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ চিনা মাঞ্জার সুতো তাঁর মুখে লাগে। এতে তাঁর মুখের একাধিক অংশ কেটে যায়।

    চিনা মাঞ্জার সুতোয় তাঁর নাক, চোখের পাশ-সহ মুখের একাধিক অংশ কেটে যায়। চিকিৎসকরা ক্ষতস্থান থেকে কাচের গুঁড়োও বের করেন।

    দুর্ঘটনার পর তাঁকে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • Link to this news (এই সময়)