আগামী সপ্তাহে আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রথম ড্রোন উড়িয়ে কীটনাশক স্প্রে হবে চা বাগানে
বর্তমান | ০৩ আগস্ট ২০২৬
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: এর আগে দার্জিলিং জেলা ও অসমের একটি চা বাগানে আকাশপথে এগ্রিকালচারাল ড্রোনের সাহায্যে কীটনাশক স্প্রে করা হয়েছিল। এবার আলিপুরদুয়ার জেলার দু’টি চা বাগানে এগ্রিকালচারাল ড্রোন দিয়ে কীটনাশক স্প্রে করা হবে। তোর্সা ও মাঝেরডাবরি, এই দু’টি চা বাগানে আগামী ১০ আগস্ট থেকে কৃষি ড্রোনের সাহায্যে স্প্রে করা শুরু হবে। কৃষি ড্রোন হলেও তারজন্য এসএসবি ও জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছে সংশ্লিষ্ট বাগান কর্তৃপক্ষ।
তোর্সা চা বাগানটি ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্তে। যেখানে এসএসবি প্রহরারত আছে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট বাগান কর্তৃপক্ষ এসএসবিরও অনুমতি নিয়ে রেখেছে। মাঝেরডাবরি চা বাগানের ম্যানেজার তথা টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিন্ময় ধর বলেন, সাধারণত কৃষি ড্রোনে স্প্রের জন্য সরকারি অনুমতির প্রয়োজন পড়ে না। তবুও আমরা এসএসবি ও সরকারি অনুমতি নিয়েছি। চা গাছে লুপার, হেলোপেলটিস, ক্যাটারপিলার, রেড রাস্ট, গ্রিন ফ্লাই সহ ক্ষতিকারক নানা পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে বাগানের শেড ট্রি গাছে লুকিয়ে থাকা লুপার পোকাকে হ্যান্ড স্প্রে মেশিনে স্প্রে করে দমন করাই যাচ্ছে না। কিন্তু ড্রোনের সাহায্যে স্প্রে করে সহজেই লুপার পোকাকে দমন করা সম্ভব হবে। তাছাড়া উত্তরবঙ্গের চা বাগানে এখন দক্ষ শ্রমিকেরও অভাব। ফলে ড্রোনের মাধ্যমে স্প্রে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সময়ও বাঁচবে। তা
চা বাগানগুলি সূত্রেই জানা গিয়েছে, সাধারণভাবে ১০০০ একর আয়তন বিশিষ্ট একটি চা বাগান স্প্রে করতে প্রায় এক মাস সময় লেগে যায়। সেখানে কৃষি ড্রোন দিয়ে প্রতিদিন ১০০ একর জমির চা গাছের ওপর স্প্রে করা যাবে। ফলে ড্রোনের মাধ্যমে মাত্র ১০ দিনেই ১০০০ একর বিশিষ্ট একটি চা বাগানে স্প্রে করা সম্ভব হবে। ফলে সময়েও বাঁচছে। দিল্লির একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থার তত্ত্বাবধানে মাঝেরডাবরি ও তোর্সা চা বাগানে এই কৃষি ড্রোন দিয়ে স্প্রে করা হবে।