• দিঘার সমুদ্রে আর শাড়ি-সালোয়ার পরে নামা যাবে না! পর্যটক সুরক্ষায় একাধিক ভাবনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
    প্রতিদিন | ০৩ আগস্ট ২০২৬
  • হাতে দু’দিনের ছোট্ট ছুটি। সমুদ্র আর ঝাউবনের মাঝে সময় কাটাতে বাঙালির প্রিয় গন্তব্য দিঘা। সেখানে তাই ভিড় থাকে বহু পর্যটকের। বিপদের আশঙ্কাও একেবারে এড়ানো যাবে না। তাই বড় সিদ্ধান্ত শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এবার থেকে আর দিঘার সমুদ্রে শাড়ি, সালোয়ার পরে আর নামা যাবে না। শনিবার দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানান তিনি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সপ্তাহান্তে বিপুল সংখ্যক পর্যটক সমুদ্রে নামেন। অনেকেই শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ পরে স্নান করেন। যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সুইমসুট বা সমুদ্রস্নানের উপযোগী পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” তবে তিনি আরও বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতিতে সুইমশুট পাওয়া যায় এখন। তবুও তাতে কারও যদি অসুবিধা হয়। তবে শাড়ি, সালোয়ার কামিজের রঙের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। পর্যটকদের চিহ্নিত করতে যাতে উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, সালোয়ার কামিজ পরা যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”

    সমুদ্রস্নানে নেমে যাতে বিপদ না হয় তাই পর্যটকদের মাথায় ফ্লুরোসেন্ট ক্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। ফ্লুরোসেন্ট ক্য়াপ থাকলে বহু দূর থেকে পর্যটকদের সহজে শনাক্ত করা যাবে। সমুদ্রতটের প্রতি ১০০ মিটার অন্তর প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ মোতায়েন করতে হবে। পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত লাইফগার্ডের ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া দিঘার সমুদ্র কিংবা সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় নেশার সামগ্রীর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির ভাবনাচিন্তা চলছে। ডাবের ভিতরে অনেক সময় মদ বিক্রি হয় দিঘায়, তা অজানা নয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। স্থানীয় বিধায়কের কাছে মন্ত্রীর আর্জি, যাতে কোনওভাবে একজন পর্যটকও মদ্যপান করে সমুদ্র কিংবা সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় যেতে না পারেন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে দিঘায় ট্রমা কেয়ার সেন্টার খোলার কথা ভাবা হয়েছে। যেহেতু দিঘায় প্রচুর রেস্তরাঁ তাই সেখানে বার্ন কেয়ার ইউনিট খোলা হবে। এছাড়া জলে ডুবে যাওয়ার আতঙ্ক কাটানোর সুবন্দোবস্ত থাকবে ওই ট্রমা কেয়ার সেন্টারে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)