• '৩০ জন ফোন করছেন', দাবি কুণালের, 'আমারও কথা হয়েছে', পাল্টা তোপ ঋতব্রতর
    আজ তক | ০৪ আগস্ট ২০২৬
  • Kunal Ghosh: অনুগত বিদ্রোহী। ৬ জন সাংসদ ও ৩০ জন বিধায়ক দল ছাড়লেও হাত ছাড়েননি। সোমবার এমনই দাবি করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, 'ওখান থেকে অন্তত ৩০ জনেরও বেশি লোক ক্রমাগত ফোন করছেন! সংখ্যাটা অনেক বড়। কেউ কেউ তো সোজাসুজি এসে দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করে গিয়েছেন। জোর করে গিয়েছেন। কিন্তু ওখানে তো ওঁদের কোনও স্বাভাবিক আকর্ষণই নেই। কেউ গিয়েছেন নিজেদের কেস সামলাতে, তো কেউ মান সামলাতে।' ওঁরা কারা? কুণাল বললেন, 'এখনই এঁরা সামনে আসবেন না। কারণ, আমরা তো আর এদের পুলিশি নিরাপত্তা দিতে পারব না।' কুণালের দাবি, একইভাবে অন্তত ৬ জন সাংসদ NCPI ছেড়ে তৃণমূলে আসতে আগ্রহী। কেন? বেলেঘাটার বিধায়কের দাবি, 'ওঁরা বিজেপি বিরোধী ভোট পেয়ে গিয়েছেন। এরপর এলাকায় ওঁদের কি আর কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে?'

    সব মিলিয়ে কালীঘাটের বাতাসে এখন শুধুই জল্পনার গন্ধ। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন দলীয় চিহ্ন নিয়ে জল্পনা। অন্য়দিকে এ সবেরই মাঝে শনিবার মমতার বাড়ি থেকে ৮০০ মিটার দূরেই ড. কাকলি ঘোষ দস্তিদারের চিকিৎসাকেন্দ্রে হাজির হন শশী পাঁজা(Shashi Panja)। কাকলির ক্লিনিকে শশীর এই আচমকা উপস্থিতিতে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। তা হলে কি এবার নতুন কোনও রাজনৈতিক চিত্রনাট্য লেখা হচ্ছে?

    কুণাল ঘোষের দাবির পাল্টা জবাব দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কুণালের মন্তব্য উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা কটাক্ষের সুর চড়ান। ঋতব্রত বলেন, 'অনেক কথাই শুনছি। ওঁদের নিজেদের লোকেদের ওপর একটু ভাল করে নজরদারি রাখতে বলুন।'

    ঋতব্রত আরও বলেন, 'এমপিদের ব্যাপারটা দায়িত্ব নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে দীর্ঘদিনের তো দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক। কালই একজন এমপির সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল। তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ ৪০ মিনিট কথা হয়েছে।'

    অন্যদিকে, শশীর সঙ্গে ক্লিনিকে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে জল ঢেলেছেন কাকলি। তিনি জানান, 'আমার প্রথম ছাত্রী শশী পাঁজা। ১৯৮৭-৮৮ সালে আমার অধীনে ও কাজ শুরু করেছিল। তাই আমাদের মধ্যে এমনিই রোজ যোগাযোগ আর কথাবার্তা হয়। এর মধ্যে অন্য কোনও রাজনৈতিক গল্প খোঁজা ভুল।'

    তবে কাকলি যাই বলুন না কেন, শশী পাঁজার এই 'ঝটিকা সফর' এবং কুণাল-ঋতব্রতের বাকযুদ্ধে দুইয়ে দুইয়ে এক করছেন বিশ্লেষকরা। বিষয়টি শেষমেশ কোনদিকে গড়ায়, তারই অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল। 
  • Link to this news (আজ তক)