হানিট্র্যাপের মহিলা গ্যাং তৈরিতে টার্গেটে উঠতি মডেলরা
দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৪ আগস্ট ২০২৬
রাজ্যে হানিট্র্যাপ তৈরি করার জন্য সুন্দরী ও লাস্যময়ী মডেলদের টার্গেট করা হচ্ছে। আর এটি একাধিক সংগঠনের জঙ্গিদের দ্বারা করা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারা সম্প্রতি এই তথ্য পেয়েছে। গোয়েন্দাদের তদন্তে আরও উঠে এসেছে, পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী শাহজাদ ভাট্টি ও তেহরিক-ই তালিবান হিন্দুস্থানের শীর্ষকর্তা এই রাজ্যে মহিলা গ্যাং তৈরি করতে শুরু করেছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা সুন্দরী ও উঠতি মডেলদের বেশি করে নিজেদের বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে।
রাজ্যের ৬ জন মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হানিট্র্যাপে জড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই তথ্যও পেয়েছেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারা। এই বিষয়ে কেবল অর্পিতা ছিল নাকি অন্য মহিলাদেরও কাজে লাগানো হত তা জানার চেষ্টা করছেন তারা।
ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে মডেলিং ও অভিনয়ের লোভ দেখিয়েই অর্পিতা সরকারকে দলে টেনেছিল হামিম মণ্ডল। এই হানিট্র্যাপের মাধ্যমে বেশি আয় করা যাবে বলেও অর্পিতাকে বুঝিয়েছিল হামিম। এমনকি হানিট্র্যাপের খুঁটিনাটিও তাকে বুঝিয়েছিল। পাকিস্তান থেকে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত ট্রেনিং দেওয়াও হয়েছিল। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ খতিয়ে দেখছে আরও কতজনকে ইতিমধ্যে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁসানো হয়েছিল।
পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, হামিম মণ্ডলের মতো জঙ্গি এজেন্টদের কাজে লাগানো হচ্ছে এই কাজে। পাকিস্তানের নির্দেশ, সুন্দরী যুবতী ও তরুণীদের সঙ্গে প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্ব করতে হবে। তার পর তাদের সঙ্গে দেখা করে ঘনিষ্ঠ হতে হবে। প্রয়োজনে বিয়ের প্রস্তাবও দিতে হবে। এর পর তাদের কাজে লাগানো হবে হানিট্র্যাপে। সেই নির্দেশমতোই হামিম ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারকে কাজে লাগিয়েছিল হানিট্র্যাপে। প্রায় চার মাস ধরে অর্পিতা হাওড়ার মন্ত্রীর ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। তাঁর থেকে টাকা হাতানোর ছক কষছিল। এর পর মন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণেরও ছক কষা হয়েছিল।