• দিঘার সৈকতে আর নেশার দ্রব্য বিক্রি নয়, কড়া নিষেধাজ্ঞা প্রশাসনের
    এই সময় | ০৪ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময় দিঘা: নিষেধাজ্ঞা ছিল আগেই। তবু নেশাগ্রস্ত হয়ে সমুদ্রে নামার ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। উল্টে নিষেধাজ্ঞা ভাঙার প্রবণতা বাড়ছিল। অভিযোগ ছিল, পুলিশ-প্রশাসনের কড়া নজরদারিতেও দিঘা, তাজপুর, উদয়পুর সৈকতে মদ থেকে অন্যান্য নেশার দ্রব্য বিক্রিতে রাশ টানা যায়নি। এ বার একই অভিযোগ উঠে এল খোদ রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গলায়।

    দিন কয়েক আগে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়া কিংবা দুর্ঘটনায় আহত পর্যটকদের চিকিৎসায় দিঘায় ট্রমাকেয়ার সেন্টার তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

    মন্ত্রী বলেন, 'শুধু ট্রমাকেয়ার সেন্টার তৈরি করলে হবে না। সবার আগে বন্ধ করতে হবে নেশার অবৈধ কারবার। না হলে সমুদ্রে তলিয়ে মৃত্যুর ঘটনা এড়ানো যাবে না।' তাঁর অভিযোগ, সৈকতে মদ-গাঁজার মতো নেশার দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ। কিন্তু আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অনেকে নানা উপায়ে নেশার দ্রব্য বিক্রির রমরমা কারবার চালাচ্ছে। এই প্রবণতা বন্ধ না হলে সমুদ্রে তলিয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

    সৈকতের পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরের ১০০ মিটারের মধ্যে পান, গুটকা, সিগারেটের মতো নেশার দ্রব্য বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করতে প্রশাসনকে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ডিএসপি (ডি অ্যান্ড টি) মোহিত মোল্লা বলেন, 'সৈকতে নেশাদ্রব্য বিক্রি বন্ধ বা মদ্যপান অনেক দিন আগে থেকে নিষিদ্ধ। অবৈধভাবে নেশার দ্রব্য বিক্রি বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়'

    হোটেল মালিক সংগঠনগুলি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। দিঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, 'প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।'

  • Link to this news (এই সময়)