আজকাল ওয়েবডেস্ক: এতদিন ভোটের ছক কষেছেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের হয়ে। এবার ভোটে দাঁড়িয়ে, অভিষেকেই জয়। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে, ১৯ হাজারের বেশি ভোটে জিতলেন প্রশান্ত কিশোর।
ভোটে জিতেই, বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিশোর। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিহারের মানুষের জন্য কাজ করার। সঙ্গেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে জয় ছিনিয়ে নিয়েই বার্তা, ‘জনগণ বিজেপিকে এই বার্তা দিয়েছে, বিহারে এমন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া প্রয়োজন যারা শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটাবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।’
এর আগে একবার প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, ‘বাঁকিপুরের মানুষ বিহারের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ও শিক্ষিত। তাঁদের সেরা প্রার্থীকেই ভোট দেওয়া উচিত। তাঁরা যদি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন, তবে আমি তাঁদের ভোট দেওয়ার অনুরোধ করব। আমার দলের একমাত্র বিধায়ক হিসেবেও আমি বিধানসভায় বাকি ২৪২ জন বিধায়কের চেয়ে ভারী প্রমাণিত হব।’
তবে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে প্রশান্তকিশোরের জয়ে এবার ‘ফেয়ার প্লে’-এর বাণী শোনালেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বিধায়কের দাবি, ঠিকমতো ভোট হলে মানুষের রায় বোঝা যায়। এটা তো রিগিং হয়নি যে শাসক দলই জিতবে।
মঙ্গলবার মর্নিং ওয়াকে গিয়ে দিলীপ বললেন, ‘যেখানে রিগিং হয়, সেখানে শাসক দল জয়ী হয়। যেটা পশ্চিমবাংলায় হত। যেখানে ফেয়ার ইলেকশন হবে সেখানে মানুষ যাকে মনে করবে সেই আসবে। প্রশান্ত কিশোর একজন রাজনৈতিক দলের নেতা। মানুষ ভাবছে যে এরকম কাউকে দিয়ে টেস্ট করা যাক।’
উল্লেখ্য, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির বিরুদ্ধেও ইভিএম হ্যাকিং, এসআইআর অ্যাডভান্টেজের অভিযোগ এনেছিল বিরোধী দলগুলি। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই এদিন দিলীপ বললেন, ‘এই বিরোধীরা, যারা এখনও চেঁচামেচি করছে তারা মানুষের ওপর ভরসা করেনি। একবার জিতলে শুধুই ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা। আগে সিপিএম করত, তারপর ১৫ বছর তৃণমূল কংগ্রেস একই কাজ করেছে। জিতে গেলে জনগণকে ধন্যবাদ দেবে, আর হেরে গেলে ইভিএমকে দোষ দেবে।’