অভিরূপ দত্ত ও সঞ্জয় চক্রবর্তী
যেখানে সবচেয়ে সরু, সেখানে প্রস্থ মেরেকেটে ২২ কিলোমিটার। ম্যাপের দিকে তাকালে মনে হবে, যেন একটা সরু সুতো উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিম ও গোটা উত্তর-পূর্বকে বেঁধে রেখেছে বাকি ভারতের সঙ্গে। ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী, ওই জায়গাটি শিলিগুড়ি করিডর। অবশ্য এই জায়গাটি আরও একটি নামে পরিচিত — ‘চিকেনস নেক’। ভারতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই এলাকাটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের প্রতিরক্ষার জন্যও। কতটা গুরুত্বপূর্ণ? কী কাজ হচ্ছে? খোঁজ নিল এই সময় অনলাইন।
‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা ‘চিকেনস নেক’ আসলে কী?
ভূ-রাজনৈতিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর অথবা ‘চিকেনস নেক’। ভুটান-নেপাল ও চিনের সঙ্গে স্থল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। তারই পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ওই রাজ্যগুলি এবং সীমান্ত এলাকায় বাহিনী ও রসদ পাঠাতে একমাত্র স্থলপথ শিলিগুড়ি করিডর। গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতে গ্যাস, তেল, খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে যাবতীয় জিনিসপত্র পাঠানোর একমাত্র রাস্তা। ১৭-২২ কিলোমিটার চওড়া এই স্থলভাগ কোনও কারণে শত্রুদের হাতে গেলে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত, সিকিম, দার্জিলিং ও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ বাকি ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
সিকিমের চিন সীমান্ত থেকে আকাশপথে কার্যত ঢিল ছোড়া দূরত্বে শিলিগুড়ি লাগোয়া ফুলবাড়ি। ঘোষপুকুর এলাকায় নেপাল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব আকাশপথে মাত্র কয়েক কিলোমিটার। আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের যেমন ব্যবহার হচ্ছে, তাতে এইটুকু আকাশপথ ড্রোনের মাধ্যমে পেরিয়ে যাওয়া খুবই সহজ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের তথ্য তাই বলে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ভারত-বিরোধী শক্তির নজর রয়েছে এই এলাকার উপর। এই অংশে উত্তেজনা বা সমস্যা সৃষ্টি করে গোটা ভারতের স্থিতাবস্থায় ধাক্কা দিতে চায় তারা, গোয়েন্দা সূত্রের খবর এমনটাই। অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সুজিত দত্ত এই সময় অনলাইনকে বলছেন, ‘উত্তরবঙ্গের এই এলাকায় সব সময়ে স্পর্শকাতর ছিল। বাংলাদেশের ঘটনার পরে, ভারত-বিরোধী শক্তি যা যা করছিল, তাতে এই বিষয়টি নিয়ে মাথাব্যথা শুরু হয়।’ তবে তাঁর মতে, ‘চিকেনস নেক কবজা করা এত সহজ নয়।’ একসঙ্গে দুই বা তিনটি ফ্রন্টে যুদ্ধ হওয়া বাস্তবে সম্ভব নয় বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা, জানাচ্ছেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক দীর্ঘ সময় ধরে নরমে-গরমে থেকেছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক যদিও বেড়েছে, তবুও ছয়ের দশকের যুদ্ধের ইতিহাস এখনও জ্বলজ্বল করছে। কয়েক বছর আগে গালওয়ানে ভারত-চিনের সেনার সংঘর্ষে বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। তারপরে ডোকলামেও মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও চিন। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জটিলতা কেটেছে। তবুও চিন ভারতের গোয়েন্দা বাহিনীর মাথাব্যথার কারণ। অরুণাচল প্রদেশের একটি বড় অংশ তিব্বত অর্থাৎ চিনের বলে দাবি করে সে দেশের সরকার। তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের টানাপড়েন চলে। ভারতের অর্থনৈতিক প্রগতি রুখতে এবং এশিয়া ও ভারত মহাসাগরে ভারতের দাপট ঠেকাতে উত্তর-পূর্ব বা সিকিম নিয়ে চাপ দিয়ে যেতে পারে চিন। সেক্ষেত্রে তাদের টার্গেট হতে পারে শিলিগুড়ি করিডর। ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে শুরু করে নানা জায়গায়, প্রভাব খাটাচ্ছে চিন।
অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার প্রবীর সান্যাল এই সময় অনলাইনকে বলছেন, ‘আমরা যখন ইস্ট সিকিমে ছিলাম, তখন থ্রেট পারসেপশন দেখতাম। যদি চিন আক্রমণ করে, তাহলে সিকিম এড়িয়ে রাংলির দিক থেকে এসে শিলিগুড়ি আক্রমণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দেশের বাকি অংশ থেকে আলাদা হয়ে যাবে। এখন ভারতের প্রতিরক্ষার ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে, চিন সাহস করে না ভারতকে খোঁচা দেওয়ার। বাংলাদেশ ইররেলিভ্যান্ট কান্ট্রি।’ অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সুজিত দত্ত বলছেন, ‘চিন আগামী কয়েক বছরে এই এলাকায় মনে হয় না কড়া কোনও পদক্ষেপ করবে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক শুরু হয়েছে। তাছাড়া, চিনের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা তাইওয়ান। এখনও এখানে তেমন কিছু হবে না।’ তাঁর মত, ‘ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও সিকিম সংলগ্ন এলাকার রাস্তা ও অন্য পরিকাঠামো শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক কাজও হয়েছে, ফলে ভারতের প্রস্তুতিও কম নেই।’
আমেরিকার স্বার্থ জড়িয়ে?
ভারতকে আমেরিকার বন্ধু দেশ মনে করা হয়। কিন্তু ট্রাম্পের ট্যারিফ যুদ্ধ থেকে ছাড় পায়নি ভারত। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের অগ্রগতিকে খুব ভালো চোখে দেখে না আমেরিকা। বরং চিনকে চাপে রাখতে এবং ভারত মহাসাগরে কর্তৃত্ব বজায় ভারতকে ব্যবহার করতে চায় আমেরিকা। যেহেতু ভারত ন্যাটোয় নেই, তাই QUAD (আমেরিকা, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চ)-কে সামরিক দিক থেকে অ্যাক্টিভ রাখার চেষ্টা হয়েছিল আমেরিকার তরফে। কিন্তু তাতে সাড়া দেয়নি ভারত। এর পরেই ২০২৪ সালে বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি দাবি করেছিলেন, একটি বিদেশি শক্তি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ চেয়েছিল। তিনি সেটা দিতে চাননি বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ইন্ধন জুগিয়েছে সেই শক্তি, তাঁর ইঙ্গিত ছিল আমেরিকার দিকেই। ফলে ভারতের অস্থিরতা তৈরি করে আমেরিকার লাভ যে একেবারে নেই, তা-ও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।
অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সুজিত দত্ত বলেন, ‘আমেরিকার স্বার্থ তো রয়েইছে, সবকিছুতেই CIA ঢুকে বসে রয়েছে, কে বলতে পারে? হয়তো সরাসরি প্রমাণ নেই।’ তাঁর মতে, হতে পারে ভারতকে চাপে ফেলার জন্য আমেরিকার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে। ডি-ডলারাইজ়েশনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, ফলে আমেরিকার নিজের ব্যবসা বাঁচানোর জন্য কিছু করতেই পারে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার প্রবীর সান্যালের মত, ‘আমেরিকার সাহস হবে না এ সব করার। কারণ আমেরিকার যে ডেমোগ্রাফি, সে দেশের নাগরিকেরা চাইবে না ভারতের সঙ্গে সামরিক দ্বন্দ্বে জড়াতে।’
পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত। একাধিক যুদ্ধও হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি পহেলগামের জঙ্গি হামলার জবাব ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে দিয়েছে ভারত। ১৯৭১-এ পাকিস্তানকে যুদ্ধে হারিয়ে দু’টুকরো করেছিল ভারত। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছিল ভারত সরকার। তৈরি হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ। সেই ক্ষত এখনও রয়েছে পাকিস্তানের মনে। তবে বাংলাদেশের ছবি পাল্টে গিয়েছে, শেখ হাসিনাকে উৎখাত করেছিল যে শক্তি, তার মধ্যে অন্যতম অংশ ছিল রাজাকারেরা, যাঁরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছিল। এখন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ভাবে সরকার প্রতিষ্ঠা হলেও ওই শক্তি যথেষ্ট সক্রিয় বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা।
এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ফের বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশকে সেকেন্ড ফ্রন্ট হিসাবে তৈরির চেষ্টাও বিদ্যমান। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের খবর, পাকিস্তান এই কাজ করতে পারে আমেরিকার নির্দেশেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসএফের এক আধিকারিক দাবি করেছেন, ‘আমাদের সন্দেহ পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকার মিলে চিকেন নেকে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে।’ যদিও বাংলাদেশকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনতে চান না অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার প্রবীর সান্যাল। তাঁর মতে, ‘আমাদের বিএসএফ বাংলাদেশের সেনার থেকেও বেশি শক্তিশালী। ওই পরিস্থিতি হলে ভারতের সেনার দরকার পড়বে না।’
শিলিগুড়িকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলার কাজে নেমেছে কেন্দ্র ও রাজ্য। সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে। সেনা ছাউনির সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে মুড়ে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশ সীমান্ত। বিএসএফ-কে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। সম্প্রতি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শিলিগুড়ি ঘুরে গিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জুমাগছ সীমান্ত চৌকি এলাকায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করে গিয়েছেন।
চার লেনের মহাসড়ক, এশিয়ান হাইওয়ে তো আছেই, সুন্দরবন থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত নতুন একটি মহাসড়কের পরিকল্পনা হয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং এবং সিকিম যাওয়ার জন্য দশ নম্বর জাতীয় সড়ক ছাড়াও আরও ২টি নতুন জাতীয় সড়ক তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি সেবক থেকে রংপো-রানিপুল হয়ে নাথুলা এবং ডুয়ার্সের খুনিয়া মোড় থেকে তোদে-তাংদা-সিকিমের জুলুক পর্যন্ত ২টি নতুন রেলপথ তৈরি হচ্ছে। এই রেলপথ মূলত প্রতিরক্ষার কথা ভেবেই তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সুজিত দত্ত। নিউ জলপাইগুড়িতে কেন্দ্র করে প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ভূগর্ভস্থ রেলপথ তৈরি করা হচ্ছে। এই সময় অনলাইনের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই প্রসঙ্গও এনেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে রেল নেটওয়ার্ক তৈরির ভাবনা রয়েছে ওই এলাকাজুড়ে। এর জন্য সময় লাগবে, কিন্তু টানেলের মধ্যে দিয়ে বা আন্ডারগ্রাউন্ডে রেল নেটওয়ার্ক হয়ে গেলে, এই এলাকার সুরক্ষা আরও বেড়ে যাবে।’ এছাড়া, নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশনকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
বাগডোগরা বিমান বন্দরের সম্প্রসারণ করার কাজ চলছে। বাগডোগরা বিমান বন্দরের বিকল্প হিসাবে পাশাপাশি, হাসিমারা বিমান বন্দরকেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই উন্নতির সঙ্গে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে নিশ্ছিদ্র করার কাজ। কাঁটাতারের বেড়ায় ক্যামেরা এবং সেন্সর বসানোর কাজের পরিকল্পনা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর দিনাজপুর জেলা, কোচবিহার এবং অসমে তিনটি নতুন সেনা ছাউনি গড়ে তোলার কাজ চলছে। বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, ‘২০২৪ সালে বাংলাদেশে অরাজকতার সময়ে জেল ভেঙে প্রচুর বন্দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার মধ্যে কিছু জঙ্গিও রয়েছে। তাঁদের গতিবিধির দিকেও নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে।’ এরই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সুজিত দত্ত বলছেন, ‘বিহারে ও আরও কিছু জায়গায় পোস্ট তৈরি হয়েছে, যাতে সহজে ফোর্স পৌঁছনো যায়। হাসিমারায় রাফাল, এছাড়াও ব্রহ্মোস এবং আধুনিক মিসাইল ভাণ্ডার রয়েছে ট্যাকটিকাল এলাকায়।’ ফলে শিলিগুড়ি করিডর তথা চিকেনস নেক-এর দিকে শত্রুপক্ষ নজর দিতেই পারে, কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা শত্রুশক্তির জন্য সহজ নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।
FAQ
পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত এই সরু স্থলপথ ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এর সরু আকৃতির জন্য ইংরেজিতে একে ‘Chicken's Neck’ বলা হয়। মুরগির গলার আকৃতির সঙ্গে অনেকটা সাযুজ্য রয়েছে বলে।
প্রায় ১৭ থেকে ২২ কিলোমিটার।
এটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের প্রধান স্থল যোগাযোগ এবং সেনা ও রসদ পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট।
চুম্বি ভ্যালি ভারত, ভুটান ও চিনের সীমান্তের কাছে অবস্থিত একটি কৌশলগত অঞ্চল, যা নিরাপত্তা বিশ্লেষণে প্রায়ই আলোচনায় আসে।
সড়ক, রেল, বিমানবন্দর, সীমান্ত নজরদারি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং সেনা মোতায়েন—সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।